• জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা কমানো ও নতুন ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করতে বসছে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা
    বর্তমান | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • শুভ্র চট্টোপাধ্যায়,কলকাতা: ন্যাশনাল হাইওয়েতে একের পর এক দুর্ঘটনার কারণ জানতে ও গাড়ির উপর নজরদারি বাড়াতে বসতে চলেছে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা। ন্যাশনাল রোড সেফটি কাউন্সিল ইতিমধ্যে এই ক্যামেরা বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো বসানোর তৈরির কাজ শুরু করেছে । এই পি টু জেড ( প্যান, টিল ,জুম) ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবি বিশ্লেষণ করে তার ভিত্তিতে ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করা হবে। যাতে সংশ্লিষ্ট জোন গুলিতে বাড়তি ব্যবস্থা নিয়ে দুর্ঘটনার পরিমাণ কমিয়ে আনা যায়।বিভিন্ন জাতীয় সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এর কারণ হলো বেপরোয়া গতি। এর শিকার হচ্ছেন গাড়ির যাত্রী,চালক বা পথচারী। এর কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ন্যাশনাল রোড সেফটি কাউন্সিলের বিশেষজ্ঞদের নজরে এসেছে তার কারণ হলো  ক্যামেরার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট গাড়ি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। যে কারণে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। রোড সেফটি কাউন্সিলের কর্তারা চাইছেন আগামী দশ বছরের মধ্যে জাতীয় সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে। এর সঙ্গে উঠে এসেছে অপরাধীরা অপরাধ করে পালানোর জন্য জাতীয় সড়ক বেছে নিচ্ছে। কারণ সেখানে অভিযুক্তদের গাড়ি চিহ্নিত করা যাবে এমন কোন প্রযুক্তি নেই। সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত হয় এক্ষেত্রে পি টু জেড ক্যামেরা বিশেষ কার্যকরী হবে। কারণ এই ক্যামেরা ৩৬০ ডিগ্রি কভার করতে পারে। উন্নত মানের এই ক্যামেরা গাড়ি চিহ্নিত করতে পারবে। একইসঙ্গে ওই গাড়ির তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। গাড়িটি কত গতিতে চলছিল সেটি বলে দেবে এই ক্যামেরা। তার ভিত্তিতে ইস্যু করা যাবে ই চালান। উন্নত প্রযুক্তির এই ক্যামেরা গাড়ির নম্বর প্লেট স্ক্যান করে মালিকের তথ্য পাবে। এরফলে মালিকের কাছে সরাসরি জরিমানার মেসেজ পাঠাতে পারবে। রোড সেফটি কাউন্সিল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বিপদজনক ও গাড়ির পরিমাণ বেশি জাতীয় সড়কের এমন এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। সেখানে এই ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা বসানো হবে। ছবির ভিত্তিতে নতুন ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করা যাবে। তার ভিত্তিতে ওই জায়গায় পুলিশ মোতায়েন, স্পিড কমানোর জন্য গাড়ির গতি বেঁধে দেওয়া সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে খবর। কেন্দ্র বিভিন্ন ক্ষেত্রের টাকা বন্ধ করে রাখায়, রাজ্য নিজস্ব আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এই মতো পরিস্থিতিতে গ্রামীণ এলাকায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি কর বাবদ রাজস্ব আদায় যথেষ্ট তাৎপর্যমূলক বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
  • Link to this news (বর্তমান)