• আজ শুরু প্রাথমিকে বাংলা মাধ্যমের শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ
    বর্তমান | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: আজ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলা মাধ্যমের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া। কলকাতার প্রার্থীদের ইন্টারভিউ হবে আজ ও কাল। আগামীকাল এবং পড়শু ইন্টারভিউ হবে ঝাড়গ্রামের প্রার্থীদের। জলপাইগুড়ির প্রার্থীদের ইন্টারভিউ হবে বৃহস্পতি এবং শুক্রবার। সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ৪২১টি শূন্যপদ রয়েছে। এর মধ্যে বাংলা মাধ্যমের শূন্যরদের সংখ্যা সাড়ে ১০ হাজারের কাছাকাছি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ভবনেই পৃথক পৃথক টেবিলে ইন্টারভিউ নেওয়া হবে এই প্রার্থীদের। প্রসঙ্গত, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।এদিকে, ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের শংসাপত্র দেওয়ার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে পর্ষদ। সেই শংসাপত্র পেতে আবেদনের সময়সীমা ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে পর্ষদের দেওয়া অনলাইন লিঙ্কে নিজেদের নথি জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। তবে, যাঁরা ইতিমধ্যেই নথি জমা দিয়েছেন, তাঁদের আর কিছু করতে হবে না। পর্ষদ তাঁদের নথি যাচাই করে শংসাপত্র ইস্যু করবে। প্রসঙ্গত, কর্মরত শিক্ষকদের এই শংসাপত্র সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সুরক্ষাকবচ দেবে। এই রায় অনুযায়ী, প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষকের টেট উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যিক। যাঁদের হাতে এই শংসাপত্র চলে আসবে, তাঁরা অনেকটাই নিশ্চিন্ত। এর পাশাপাশি, নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রেও এই শংসাপত্র আবশ্যিক যোগ্যতার নথি হিসেবে কাজ করবে। ২০১২ সালের প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অবশ্য শংসাপত্র না থাকায় তাঁদের নামই তালিকা আকারে প্রকাশ করে দিয়েছে পর্ষদ। ফলে, কোনও সমস্যায় এই প্রায় ১৮ হাজার প্রার্থী পর্ষদের তালিকাকেই নথি হিসেবে দেখাতে পারবেন। একই সঙ্গে ২০২০-২২ শিক্ষাবর্ষে ডিএলএড কোর্সে উন্নীত প্রায় ২০০০ প্রার্থীর তালিকাও প্রকাশ করেছে পর্ষদ। আদালতের রায়ে এই প্রার্থীরা ডিএলএড ডিগ্রির ভিত্তিতে নয়া নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার যোগ্য। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে এই প্রার্থীরা টেট উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।
  • Link to this news (বর্তমান)