• আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার ১০ দগ্ধ দেহাংশ, শনাক্ত করতে হিমশিম পুলিশ
    আজ তক | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই কলকাতার ছন্দপতন। আনন্দপুরের খাবারের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আর দমকলের চেষ্টার পরও রাত পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই খবর। বরং কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে আগুন জ্বলছিল। আর এই অগ্নিকাণ্ডে রাত ৯টা নাগাদ ৭ দগ্ধ দেহাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার আগে উদ্ধার হয়েছিল ৩টি দেহাংশ। অর্থাৎ মোট ১০টি দেহ মিলল ঘটনাস্থল থেকে। যদিও এই সব দেহাংশের সবকটি মানুষের না অন্য প্রাণীর, সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি পুলিশ।

    দমকলের তরফ থেকে এখনও হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে জানান হয়নি। তবে ইতিমধ্যেই ২০টি পরিবারের তরফে পুলিশে করা হয়েছে নিখোঁজ ডায়েরি। 

    কখন লাগে আগুন? 
    ২৬ জানুয়ারি, সোমবার ভোর ৩টে নাগাদ আগুন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় ওই খাবারের গুদাম থেকে। তারপর খবর যায় দমকলে। শুরু হয় যুদ্ধ। কিন্তু দমকলের ১২টি ইঞ্জিনের চেষ্টাতেও আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই খবর। কিছু কিছু জায়গায় সোমবার রাত পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে আগুন জ্বলেছে। 

    কী ছিল গুদামে? 
    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গুদামটি ছিল শুকনো খাবারের। সেখানে উপস্থিত ছিল সফট ড্রিংকের বোতল। পাশাপাশি শুকনো খাবারের প্যাকেটও ছিল উপস্থিত। আর সোমবার ভোররাতে সেখানেই আগুন লেগে যায়। তখন সেখানে ২০ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। 

    দমকল নিশ্চিত করে কিছুই জানায়নি
    প্রথমে ৩টি দেহাংশ পাওয়া যায় এই গুদাম থেকে। তারপর রাত ৯টার মধ্যে আরও ৭টি পোড়া দেহাংশের খোঁজ মেলে। যদিও যে ৭টি দেহাংশ পরে মিলেছে, সেগুলি মানুষের না অন্য কোনও প্রাণীর, সেটা বোঝা যাচ্ছে না বলেই খবর। তাই দেহাংশগুলি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠানো হচ্ছে। এই কাজে সাহায্য করছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। 

    তবে এখনও মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলতে চাইছে না পুলিশ। তাদের পক্ষ থেকে তদন্তের পর এই বিষয়ে মুখ খোলা হবে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ২০ জনের নামে নিখোঁজ ডায়েরি...
    গুদামে আগুন লাগার পর থেকেই ওখানে কর্মরত ২০ জন নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বলে আভিযোগ করা হয়। সেই মতো পুলিশে হয়েছে ডায়েরি। 

    রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
    এই ঘটনার কথা জানতে পেরেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি নিখোঁজদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর সেখানে যান এলাকার বিধায়ক ফিরদৌস বেগম। 

    তবে এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গে কোনও সরকারই নেই। তাই এমন ঘটছে। একই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারও।

     
  • Link to this news (আজ তক)