• ডালখোলা থেকে রায়গঞ্জ এবং ইটাহার-গাজোল নতুন রেলপথ,চালসা থেকে ভুটান-চীন সীমান্ত পর্যন্ত চলবে ট্রেন, রেলপথ নির্মাণ শুরু শীঘ্রই
    বর্তমান | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা : ডুয়ার্সের চালসা থেকে ভুটান-চীন সীমান্ত নকশাল পর্যন্ত চলবে ট্রেন। এজন্য শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে রেলপথ নির্মাণের কাজ। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্তকুমার রায়। তাঁর দাবি, এব্যাপারে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব তাঁকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন। কয়েকশো কোটি টাকার এই প্রকল্পে রেলপথ তৈরির কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। প্রকল্প হলে হলে পর্যটনের প্রসারের  পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকার মানুষের যোগাযোগের সুবিধা হবে। এছাড়াও স্ট্র্যাটেজিক দিক থেকেও ভুটান-চীন সীমান্ত পর্যন্ত রেলপথ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। নয়া এই রেলপথ ঘিরে আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। লাটাগুড়ি হোটেল অ্যান্ড রিসর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দিব্যেন্দু দেব বলেন, চালসা থেকে বিন্দু, ঝালং হয়ে নকশাল পর্যন্ত ওই রেলপথ যাবে বলে শুনেছি। এটি হলে পর্যটনের প্রসার ঘটবে। কারণ, এই পথে এমনিতেই সেভেন পয়েন্ট ট্যুরিজম জনপ্রিয়। চালসা ভিউ পয়েন্টের পাশাপাশি এখানে ঝালং, বিন্দু, সুনতালেখোলা, রকি আইল্যান্ড সহ একাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। রেলপথ চালু হলে পর্যটকরা ট্রেনে করেই এসব জায়গা ঘুরে দেখতে পারবেন। চালসা থেকে নকশাল পর্যন্ত ১৬ কিমি রেলপথে ভিস্তাডোম কোচ চালানোরও দাবি থাকবে আমাদের। চালসা থেকে মেটেলি পর্যন্ত এক সময় রেলপথ ছিল। সেটিকেই ভুটান-চীন সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেল লাইন পাতার কাজ শুরু করবে।এদিকে, শেষপর্যন্ত দীর্ঘদিনের দাবি মিটতে চলছে উত্তর দিনাজপুর জেলাবাসীর। এবার ডালখোলা থেকে রায়গঞ্জ এবং রায়গঞ্জ থেকে ভায়া ইটাহার-গাজোল দু’টি নতুন রেলপথের অনুমোদন দিল রেল। মঙ্গলবার একথা জানান রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, জেলাবাসীকে সম্প্রতি রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেসের নতুন ট্রেন উপহার দিয়েছে রেল। এবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব দু’টি নতুন রেলপথ চালুর অনুমোদন দিলেন। একটি ডালখোলা থেকে রায়গঞ্জ। দ্বিতীয়টি রায়গঞ্জ থেকে ভায়া ইটাহার-গাজোল। জেলার বিভিন্ন মহল থেকে দীর্ঘদিন ধরে এই রেলপথ প্রসঙ্গে দাবি সামনে এসেছিল। যার উপর ভিত্তি করে আমরা রেলমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছিলাম। তার ভিত্তিতেই এই অনুমোদন। রায়গঞ্জ-ইটাহার হয়ে গাজোল রেললাইনের দাবি দীর্ঘদিনের। এক সময় ওই রেলপথ তৈরির কাজ শুরু হয়ে থমকে গিয়েছিল। যার জন্য এখনও রেল লাইনের কংক্রিটের স্লিপার ইটাহারের সুলিয়াপাড়া এলাকায় দুই দশক ধরে পড়ে আছে। এই বিষয়ে চাভোট গ্রামের বাসিন্দা নীলাংশু রায় বলেন, রেল লাইনের কাজ শুরু হলে আমাদের ভালো হবে। কারণ চিকিৎসা সহ বিভিন্ন কাজে কম খরচে কলকাতা সহ অন্য জায়গায় যেতে পারব।
  • Link to this news (বর্তমান)