• সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির প্যারেডে অংশ নিলেন কোচবিহারের ঐশ্বর্য বসু
    বর্তমান | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি কোচবিহার ও সংবাদদাতা, বাগডোগরা: সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে প্যারেডে অংশ নিলেন কোচবিহারের মেয়ে ঐশ্বর্য বসু। নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কোচবিহারে শিক্ষা তাঁর। এখন কৃষি বিজ্ঞান নিয়ে কেরলে পড়াশোনা করছেন। সেখানেই এনএসএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাম্পে অংশ নিয়ে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে প্যারাডে অংশগ্রহণ করেছেন ঐশ্বর্য। তিনি এখনও দিল্লিতেই আছেন। রাষ্ট্রপতি ভবনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য অনুষ্ঠানেও তিনি অংশ নিচ্ছেন। তাঁর মা সুনন্দা চক্রবর্তী দিল্লি গিয়েছেন। ঐশ্বর্যের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া কোচবিহারে।টেলিফোনে সুনন্দাদেবী বলেন, মেয়ে আইসিএআরের মাধ্যমে কেরল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। সেখানে এনএসএসের মাধ্যমে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর, তারপর রাজ্যস্তর ও শেষে সাউথ জোনাল স্তরে নির্বাচিত হয়ে প্যারেডে সুযোগ পায়। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠান হয়েছে। বুধবার পিএম র‍্যালিতে অংশ নেবে। কোচবিহারের সেন্ট মেরিস স্কুলে এলকেজি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে ও। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনো ডুয়ার্স ইন্টারন্যাশনাল পাবলিক স্কুল থেকে। তারপরেই ওর কেরলে যাওয়া।কোচবিহার শহরের মেয়ে ঐশ্বর্য বসুর বাড়ি পাটাকুড়ায়। সেখানেই মায়ের সঙ্গে তিনি থাকতেন। বাবা অমিতাভ বসু প্রয়াত। তাঁর মা সুনন্দা চক্রবর্তী বেসরকারি সংস্থার কর্মী। মঙ্গলবার ঐশ্বর্য টেলিফোনে বলেন, কঠিন অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লির রাজপথে প্যারেডে অংশ নিতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। গর্ব বোধ হচ্ছে। আগে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করাই আমার লক্ষ্য। তবে এখানে প্যারেডে অংশ নেওয়ার পর এখন নৌসেনাতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেও হয়েছে।অন্যদিকে, সোমবার গোটা উত্তরবঙ্গজুড়ে পালিত হয় সাধারণতন্ত্র দিবস। প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে দেখতে এবং ছুঁয়ে দেখার অভিজ্ঞতা নিতে বাগডোগরা চিত্তরঞ্জন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০০ জন ছাত্রছাত্রীকে মিরিক মহকুমার পুটুংয়ে শিক্ষামূলক ভ্রমণে নিয়ে যায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ছিলেন ১৫ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। স্কুলের টিআইসি বাসুদেব তিওয়ারি বলেন, শুধু পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের বেঁধে রাখলে চলবে না। পাঠ্যপুস্তকের বাইরেও যে আলাদা এক জগত রয়েছে তা দেখতে এবং দেখাতেই এই শিক্ষামূলক ভ্রমণের আয়োজন ছিল। পুটং মিরিক মহকুমার একটি এমন জায়গা যেখানে পাহাড়, নদী, গাছপালা, পাখি এবং সর্বোপরি কীটপতঙ্গ মিলেমিশে একাকার হয়েছে। সপ্তম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের এই প্রকৃতিপাঠ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান স্কুলের শিক্ষক প্রিয়পদ রায়।
  • Link to this news (বর্তমান)