• বিধানসভা: বিশেষ দায়িত্ব পেয়ে বালুরঘাটে কামব্যাক অর্পিতার
    বর্তমান | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বালুরঘাট: লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট আসনে পরাজয়ের পরেই বদলে দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন সভাপতি থেকে শুরু করে ব্লক সভাপতিদের। সম্প্রতি বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যানকেও বদলে দেওয়া হয়েছে। বিপ্লব মিত্র গোষ্ঠীর মুখদের সরিয়ে বিরোধী গোষ্ঠীর মুখদেরকেই ওই পদগুলিতে আনা হয়েছে। এবার বিপ্লব বিরোধী গোষ্ঠীর অন্যতম মুখ অর্পিতা ঘোষের উপরেই ভরসা রাখল দল। বালুরঘাট বিধানসভার বিশেষ দায়িত্বে দিয়ে রাজ্য থেকে অর্পিতাকে পাঠানো হল। অর্পিতা আসতেই পুরনো কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। ফলে বিপ্লব বিরোধী গোষ্ঠী কার্যত চাঙা বালুরঘাট শহরে। কোণঠাসা হয়ে পড়ল বিপ্লব গোষ্ঠী। বালুরঘাটের রাজনীতিতে অর্পিতা ঘোষের কামব্যাক নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।প্রসঙ্গত,২০১৪এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের একজন বিশিষ্ট নাট্য অভিনেতা হিসেবে বালুরঘাট কেন্দ্রে অর্পিতাকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। ২০১৯ সালে ৩৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজেপির সুকান্ত মজুমদারের কাছে হেরে যান। পরবর্তীতে অর্পিতা ঘোষ দলের জেলা সভাপতি হন। তাঁর সময়কালেই একের পর এক বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পঞ্চায়েত সদস্যরা তৃণমূলে যোগ দেন। বিধানসভা নির্বাচনের পর বিগত পঞ্চায়েত ভোটেও অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন অর্পিতা। তাঁর নেতৃত্বে বালুরঘাট, তপন এবং হিলি ব্লকের অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল দখল করেছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বালুরঘাটের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত তিনি বালুরঘাটেই থাকবেন বলেই অর্পিতা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি শহরের বেশকিছু এসআইআর ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে এদিন অনেক তৃণমূল নেতা সাক্ষাৎ করেন। অর্পিতা বলেন, রাজ্য থেকে আমাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে বালুরঘাট বিধানসভায় পাঠিয়েছে। গত বিধানসভা এবং লোকসভাতে তৃণমূলের ফল ভালো হয়নি। তাই এখন কঠিন লড়াই। দ্বন্দ্ব ঠিক হয়ে যাবে। কাজ না থাকলে দ্বন্দ্ব থাকে। কাজ দিলেই দ্বন্দ্ব ভুলে যাবে। সবাই দৌড়ালে আর দ্বন্দ্ব থাকবে না। আমার কাজ হচ্ছে দৌড় করানো। সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাকে কারও পছন্দ নাও হতে পারে,কিন্তু দলকে ভালোবেসে কাজ করতে হবে।  নিজস্ব চিত্র।
  • Link to this news (বর্তমান)