• ৩ মাস ধরে বন্ধ সাফাই, বর্জ্যের পাহাড় জমেছে ক্যানিং হাসপাতাল ও মাতৃমায়
    বর্তমান | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের সাধারণ বর্জ্যের স্তূপ জমছে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল ও মাতৃমায়। ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে সেখানে। তা থেকে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, মশাবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকছে। ক্ষুব্ধ রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। এদিকে, যে সংস্থাটিকে আবর্জনা সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা আর এই কাজ করবে না বলে মৌখিকভাবে জানিয়েছে। কারণ যেটি ময়লা ফেলার জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, সেটি ভরে গিয়েছে। তাই সেখানে আর আবর্জনা ফেলা যাচ্ছে না।জানা গিয়েছে, প্রায় তিন মাস হল হাসপাতালে জঞ্জল জমে পাহাড় হয়ে রয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, এতদিনে কয়েকশো কেজি বর্জ্য জমে গিয়েছে। গত নভেম্বর মাসে শেষবার আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছিল। সেবারও এক মাসের বেশি সময় ধরে পড়েছিল এই জঞ্জাল। অনেক জায়গায় চিঠিচাপাটি করে সেসব সাফাই করা গিয়েছিল। কিন্তু এবারে পরিস্থিতি আরও খারাপ।সূত্রের খবর, হাসপাতালটি দিঘিরপাড় পঞ্চায়েত এলাকায় অবস্থিত। ওই পঞ্চায়েতই এই আবর্জনা অপসারণের দায়িত্বে আছে। পঞ্চায়েত থেকে একটি সংস্থাকে সেই কাজ করার বরাতও দেওয়া হয়েছে। ফিজ হিসেবে জঞ্জাল সাফাইয়ের জন্য সংস্থাটিকে মাসে ৪০ হাজার টাকা করে দিতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।অন্যদিকে, পঞ্চায়েতের কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ইউনিট তৈরির কাজ চলছে। সেটা হয়ে গেলে সমস্যা অনেকটা মিটবে। কিন্তু ততদিনে কেন বিকল্প উপায়ে আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে না, উঠছে সেই প্রশ্ন। এই অবস্থায় দিনের পর দিন হাসপাতালের বর্জ্য প্যাকেটবন্দি করে ফেলে রাখা হয়েছে। রোগীর পরিজনরা বলেন, অনেকদিনের জঞ্জাল থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। মাছি ভনভন করছে। এভাবে চললে তো রোগীদের মধ্যে আরও অনেক রোগ বাসা বাঁধতে পারে। হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, আবর্জনা জমেছে বলে শুনেছি। অবিলম্বে যাতে সেসব পরিষ্কার করা হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে অনুরোধ করছি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য আধিকারিক মুক্তিসাধন মাইতি বলেন, ওই চত্বরে একটি কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ইউনিট তৈরি না করা গেলে এই সমস্যা থাকবেই। আশা করব স্থানীয় পঞ্চায়েত ব্যাপারটা গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)