মুম্বই, ২৮ জানুয়ারি: মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শোকের ছায়া। বারামতিতে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি প্রধান অজিত পাওয়ারের। আজ, বুধবার বারামতিতে জেলা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারের জন্য যাচ্ছিলেন তিনি। অজিত পাওয়ারের সঙ্গে ছিলেন আরও চারজন। তাঁদের সকলেরই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। কিন্তু কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা? প্রশ্ন উঠছে। তদন্তও শুরু হয়েছে। তবে এনসিপি প্রধান যে প্রাইভেট বিমানে ছিলেন সেটি ছিল অত্যাধুনিক। সেটিই দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর, অজিত পাওয়ারের বিমানের চালক ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিংয়ের জন্য এটিসির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। বারামতি এয়ারপোর্টের রানওয়েতে নামার আগেই যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে এনসিপি প্রধানের বিমানে। এমনটাই জানিয়েছে ডিজিসিএ। সমস্যার কথা জানান ওই বিমানের চালকও। কিন্তু কিছু করার আগেই সব শেষ।মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার যে বিমানটিতে ছিলেন সেটি অত্যাধুনিক, লিয়ারজেট ৪৫এক্সআর। এই প্রাইভেট বিমানটি ভিএসআর ভেঞ্চার্স প্রাইভেট লিমিটেডের। মাঝারি মাপের বিমান, আটটি আসন রয়েছে। ডাবল ইঞ্জিন, কেবিন কমফর্টবেল, ৫১ হাজার ফুট পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। কাছাকাছি কোনও স্থানে ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করা হয় এটি, ওজন ৯,৭৫২ কেজি। দেশের বহু ভিআইপি এই প্রাইভেট বিমান ব্যবহার করেন। সূত্রের খবর, এনসিপি প্রধানের বিমানে কোনও ত্রুটি ছিল না। তারপরেও কীভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল? তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। ফ্লাইট রেডার সূত্রে খবর, অজিত পাওয়ারের বিমান ভেঙে পড়ার আগে ২৬০০ ফুট উঁচুতে ছিল। আচমকাই উচ্চতা কমে আসে বিমানটির। সেই সময়ে তার গতিবেগ ছিল ২৫৩ কিমি প্রতি ঘণ্টা।