• টাকা, চাকরি... আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু-মিছিলে মুখ খুললেন মমতা
    আজ তক | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • কেটে গেছে প্রায় ৪ দিন। এখনও আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে খোঁজ পাওয়া যায়নি বহু মানুষের। মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ১৬। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসকে। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে এবার মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম মঙ্গলবারই ঘটনাস্থলে গিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। বুধবার সিঙ্গুরের সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কালকে আমাদের কিছু বন্ধু প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন। আমি ববি আর অরূপকে পাঠিয়েছিলাম। ওঁদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে দিচ্ছে ওয়াও মোমো এবং ডেকরেটর সংস্থা ৫ লক্ষ টাকা করে দিচ্ছে। পুলিশকে আমি বলেছি, তাঁদের পরিবারের একজনকে সিভিকের চাকরি দিতে। আমরা অমানবিক নই আপনাদের মতো।'

    এদিকে, আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে নেমে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের একটি দল মেদিনীপুরে হানা দেয়। তখনই গঙ্গাধর দাসকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখে আটক করা হয়। পরে বারুইপুর জেলা পুলিশের তরফে তাঁকে গ্রেফতারের কথা জানানো হয়েছে। বুধবার গঙ্গাধর দাসকে বারুইপুর মহকুমার আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও গুদামের মালিক এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দায় চাপিয়েছেন মোমো সংস্থার ঘাড়ে। যে গুদামে আগুন লেগেছে সেখানে পুরো জমিটারই মালিক ছিলেন গঙ্গাধর। মোমো কোম্পানি ডেকরেটার্সের গোডাউন লিজে নিয়েছিল। 

    উল্লেখ্য, দমকল আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই গোডাউনে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সে কথা কার্যত স্বীকার করে নেন দমকলমন্ত্রীও। গোডাউন যদি বেআইনি ভাবে কাজ চালিয়ে থাকে তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন সুজিত বসু। এদিকে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে স্বজনহারাদের পরিবারের লোকজন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের আক্ষেপ, চরম অব্যবস্থা আর নজরদারির গাফিলতিতে প্রাণের বিনিময়ে মূল্য দিতে হল এতগুলো মানুষকে। 

     
  • Link to this news (আজ তক)