দ্রুত গতিতে নামছিল বিমানটি। কিন্তু অবতরণের ঠিক আগে আচমকাই বাঁ দিকে হেলে যায়। বুধবার রাতে সামনে এলো দুর্ঘটনার মুহূর্তের নতুন ভিডিয়ো ফুটেজ। তাতেই দেখা গিয়েছে বিমানের কাত হয়ে যাওয়ার সেই দৃশ্য। এই ফুটেজ ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, হেলে যাওয়ার কারণেই কি দুর্ঘটনা?
ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, মাটির খুব কাছাকাছি এসে আচমকাই বাঁ দিকে হেলে হয়ে যায় বিমান। ওই অবস্থাতেই আছড়ে পড়ে রানওয়েতে। দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে গোটা বিমান। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। অজিত-সহ বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে এই দুর্ঘটনায়।
ফ্লাইট বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, অবতরণের ঠিক আগে বিমানের কাত হয়ে যাওয়া অত্যন্ত অস্বাভাবিক ঘটনা। তাঁরা মনে করছেন, হয়তো যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা চাপ সামলাতে কিছু করেছিলেন পাইলট। সেই কারণেই বিমান কাত হয়ে গিয়েছিল। তবে প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো।
বুধবার সকালে চাটার্ড ফ্লাইটে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত। সামনেই জেলা পরিষদের নির্বাচন। NCP-র রাজনৈতিক ঘাঁটি বারামতীতে চারটি সভা করার কথা ছিল তাঁর। সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ রানওয়েতে আছড়ে পড়ে অজিতের বিমান।
এ দিন দুর্ঘটনার পরে DGCA জানিয়েছে, আছড়ে পড়ার আগে একবার অবতরণের চেষ্টা করেছিল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের ফ্লাইট। কিন্তু রানওয়ে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল পাইলটের। ফলে ‘গো অ্যারাউন্ড’ অর্থাৎ ফের আকাশে চক্কর কাটতে শুরু করেছিল বিমান। দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করার সময়ে ভেঙে পড়ে ফ্লাইট।