মমতাকে রুখতে হুমায়ুনের সঙ্গে জোট করছে ISF? জবাব দিলেন নওশাদ
আজ তক | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
গত ২২ ডিসেম্বর নতুন দল ঘোষণা করেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে একটি নতুন দল গঠান করেছেন তিনি। আর এরপরই সেই দলের জোটসঙ্গী কারা হবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি নামের কথা হুমায়ুন কবীর নিজেই জানিয়েছেন, যারমধ্যে রয়েছ মিম ও আইএসএফ। এই নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন ভাঙড়ের ISF বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ বলেন , এই জোটের বিষয়ে তাঁদের দলের অভ্যন্তরে এখনও সেভাবে আলোচনা হয়নি। তবে শীঘ্রই এবিষয়ে আলোচনা হবে। শুধু তাই নয়,তিনি জানান, জোট হওয়া সম্ভব। এটা রকেট সায়েন্স নয়। যদি তাঁদের দ্রুততার সঙ্গে করার সদিচ্ছা থাকে তাহলেই সম্ভব। তবে সবার সঙ্গেই আলোচনা চলছে বলেও জানিয়েছেন নওশাদ। যদিও হুমায়ুন কবীর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি বলেই জানান ভাইজান।
যদিও কিছুদিন আগেই হুমায়ুন কবীর মালদায় জোটবার্তা দিয়েছিলেন। বিজেপি ও তৃণমুলকে আটকাতে যারা আসবে তাদেরকেই জোটে আহ্বান বলে জানিয়েছেন। মালদা জেলায় কংগ্রেসের একটিও বিধায়ক নেই। জাতীয় কংগ্রেস হিসেবে লজ্জা হওয়া উচিত। মালদার ইংরেজবাজারে নিজের দলের কার্যালয় উদ্বোধনে এসে প্রকাশ্যে এই মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবীর।
হুমায়ন কবীর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন,মালদা জেলায় কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক। সেইসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে রুখতে কংগ্রেসকে জোট করার বার্তা দেন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নেতা হুমায়ণ কবীর। তাঁর বক্তব্য, সিপিএমের সঙ্গে কথা চলছে। আইএসএফের সঙ্গে কথা চলছে। চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতায় বসতে দেব না। তাই জনতা উন্নয়ণ পার্টি তৈরি করেছি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ন কবির বলেন,১৫ ফেব্রুয়ারি জোটের চিত্র স্পষ্ট হবে। কারা কারা জনতা উন্নয়ন পার্টির জোটে থাকবে। বা জনতা উন্নয়ন দল কাদের সঙ্গে থাকবে। বামেরা, আইএসএফ জোটে স্বাগত। আর যদি একক ভাবে প্রার্থী দিতে হয় তাহলে ২৯৪ টির মধ্যে ১৮২-১৮৪টি আসনে প্রার্থী দেবো। আর জোট হলে আসন সমঝোতা করে প্রার্থী দেওয়া হবে। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুধু বিরোধিতা করলে হবে না,যদি তৃণমূলনেত্রীকে আসলই সরাতে হয় তাহলে অধীর চৌধুরী ও ঈশা খান চৌধুরীদের ভাবতে হবে।