পরদিন ৩১ জানুয়ারি শনিবার ব্যারাকপুরে কর্মীসভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে দাবি, ব্যারাকপুরের আনন্দপুর মাঠে সকাল ১০টা নাগাদ জনসভাও হতে পারে। সময় ও সুযোগ থাকলে ওইদিনই সেখান থেকে শিলিগুড়িতে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে পারেন তিনি। শনিবারই অমিত শাহর দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর তিনদিনের সফরে বাংলায় এসেছিলেন অমিত শাহ। সেই সময় একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন তিনি। পদ্মশিবিরের মত, বিহার, আসাম, ওড়িশা ও ত্রিপুরার পরে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলাই তাদের মূল লক্ষ্য। ভোটের আগে ইতিমধ্যেই একাধিকবার রাজ্যে এসেছেন অমিত শাহ। এর আগেও তিনি দু’দফা বাংলা সফর করেছেন।
এদিকে ২৭ জানুয়ারি দু’দিনের সফরে রাজ্যে এসেছেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মালদহ থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা করেন। তিনি সিঙ্গুরে সভা করার পাশাপাশি একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাসও করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাও সম্প্রতি বাংলায় এসে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার পাশাপাশি, কৌশলগত দিশা দিতেই বারবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বঙ্গ সফর। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাচ্ছে বিজেপি। বাংলার ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে পদ্মশিবিরের তৎপরতা বাড়ছে।