সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ‘দেশে ইংরেজ শাসন চলছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে প্রতিবাদ হবে।’ এসআইআর হিয়ারিংয়ে এসে এই ভাষাতেই নির্বাচন কমিশনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। তাঁর কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। বুধবার এসআইআর হিয়ারিংয়ে যোগ দিতে এসে কমিশনের আধিকারিকদের সামনেই নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিধায়কের অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশে নির্বাচন কমিশন হিয়ারিংয়ের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রান করছে। বিধায়ক বলেন, ওরা এভাবেই সাধারণ মানুষকে হয়রান করছে। নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে কে ভারতীয় আর কে নয়? সাধারণ মানুষের হয়রানির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বুধবার সকালেই রঘুনাথগঞ্জ ১ ব্লকে শুনানি শিবিরে হাজির হন জাকির হোসেন। তিনি তাঁর সমস্ত বৈধ কাগজপত্র দেখান। কাগজপত্রে কোথাও কোনো ত্রুটি নেই বলে দাবি করেন তিনি। কোনো ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও তাকে কেন হিয়ারিংয়ে ডাকা হল তা তিনি এইআরওর কাছে জানতে চান। মেশিনে ত্রুটি ধরা পড়েছে বলে জানায় কমিশন। ক্ষুব্ধ জাকির বলেন, তাঁর পূর্বপুরুষ সহ বংশধরের সকলেরই জমির দলিল দস্তাবেজও রয়েছে। বিগত ২০০২ ও ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। এছাড়া আধার, ভোটার ও প্যান কার্ড সহ পাসপোর্টও রয়েছে বলে দাবি। একজন জনপ্রতিনিধিকে হয়রান করা হলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কী করা হচ্ছে তা নিয়েও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এই হয়রানির প্রতিবাদ তিনি চালিয়ে যাবেন বলে জানান। জাকির হোসেন আরও বলেন, মঙ্গলবার জেলাশাসকের কাছে গিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছি। বিডিও অফিসে নিজের হিয়ারিং করে গেলাম। যদি ভোটার তালিকা থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয় তার প্রতিবাদ হবে। -নিজস্ব চিত্র