• নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশের DNA ম্যাপিংয়ের সিদ্ধান্ত
    এই সময় | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • আনন্দপুরের নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডের পরে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশ শনাক্তকরণে বৃহস্পতিবারই DNA ম্যাপিং শুরু হতে পারে। আগুনে পুড়ে মৃতদের নাম-পরিচয় জানতে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ২১টি দেহাংশের মধ্যে একটি আধপোড়া দেহ রয়েছে। বাকি ২০টি কঙ্কাল। অগ্নিকাণ্ডের পরে ২৮ জনের পরিবারের তরফে নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুধবার মধ্যরাত থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা (IPC-র ১৪৪) ধারা জারি হয়েছে দুর্ঘটনাস্থলে। ফলে ওই এলাকায় জমায়েত এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে। আজ বিকেলে ঘটনাস্থলে যেতে পারেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির বিধায়করা, সূত্রের খবর এমনটাই।

    পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার আর্থ মুভার নিয়ে গিয়ে গুদামে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নিখোঁজদের দেহাংশ খোঁজার কাজ শুরু করা হতে পারে। ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে নরেন্দ্রপুর থানার নাজিরাবাদ এলাকায় একটি ডেকরেটর্সের গোডাউনে আগুন লাগে। সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের মোমো তৈরির কারখানাতে। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন দীর্ঘ চেষ্টার পরে আগুন আয়ত্তে আনে।

    মঙ্গলবার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই দুর্ঘটনার পরেই বহু মানুষের নিখোঁজ থাকার অভিযোগ উঠেছিল। ইতিমধ্যেই ছাইয়ের স্তূপ থেকে হাড়গোড় বার হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই গোডাউনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক, ময়না এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলার অনেকেই কাজ করতেন এবং রাতে সেখানে থাকতেন। যেহেতু ঝলসে যাওয়া দেহ এবং দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে, ফলে তাঁদের পরিচয় এখনও সুনিশ্চিত করা যায়নি। আর সেই জন্যই এই DNA ম্যাপিং। ওই গোডাউনে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না, অভিযোগ উঠেছে এমনটাই। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছেন, এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ইতিমধ্যেই ডেকোরেটর্সের গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

  • Link to this news (এই সময়)