• আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড: মৃত বেড়ে ২১ চাকরি দেবে রাজ্য
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক গাফিলতির অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন একটি গুদামে এত সংখ্যক শ্রমিক কাজ করছিলেন যেখানে কোনও অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না। অভিযোগ, জরুরি অবস্থায় বাইরে বেরোনোর মতো উপযুক্ত কোনও পথও ছিল না।

    জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি থানার অন্তর্গত পূর্বচড়া গ্রামের বাসিন্দা গঙ্গাধর দাস দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডেকরেটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। প্রথমদিকে স্থানীয় অনুষ্ঠান ও সামাজিক কর্মসূচিতে সাজসজ্জার কাজ করতেন তিনি। প্লাস্টিক ফুল ও অন্যান্য সাজসজ্জার সামগ্রী ব্যবহার করেই চলত তাঁর ব্যবসা। পরবর্তী সময়ে বিদেশ থেকে ডেকরেশনের বিভিন্ন উপকরণ আমদানি করে ব্যবসার পরিসর বাড়ান তিনি। ধীরে ধীরে সেই ব্যবসা লাভজনক হয়ে ওঠে।

    এই ব্যবসার সূত্রেই কলকাতার উপকণ্ঠে নাজিরাবাদ এলাকায় গুদাম ও কারখানা স্থাপন করেন গঙ্গাধর দাস। সেই গুদামই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। গঙ্গাধর দাস গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, মোমো কারখানার নির্মাণগত ত্রুটির কারণেই আগুন ছড়ায় এবং এই ঘটনায় তাঁরও বিপুল ক্ষতি হয়েছে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)