এই সময়: রাজনগর ও বক্রেশ্বর হয়ে সিউড়ি-নালা লাইন (৭৩ কিলোমিটার), আরামবাগ-খানাকুল লাইন (২৭ কিমি) এবং রসুলপুর-জঙ্গলপাড়া লাইন (৭৮ কিমি)-বাংলায় আরও তিনটি নতুন রেললাইন প্রকল্পের ফাইনাল লোকেশন সার্ভের অনুমোদন দিল রেল মন্ত্রক। বাংলার বিভিন্ন এলাকায় পরিবহণ ক্ষমতা-বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্যেই এই তিনটি প্রকল্পের পরিকল্পনা বলে জানিয়েছে রেল।
সংস্থা জানাচ্ছে, তিন প্রকল্পের মধ্যে রাজনগর ও বক্রেশ্বর ধাম হয়ে সিউড়ি থেকে নালা পর্যন্ত প্রস্তাবিত লাইনটি বীরভূমের সিউড়ি এবং ঝাড়খণ্ডের নালা-কে সরাসরি রেলপথে যুক্ত করবে। বর্তমানে সিউড়ি-রাজনগর- বক্রেশ্বর-নালা সংলগ্ন এলাকার মানুষ মূলত সড়কপথের উপরে নির্ভরশীল। আরামবাগ-খানাকুল লাইনটিও ওই দুই এলাকার বাসিন্দাদের যোগাযোগ-ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাবে। বর্তমানে এই দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগও মূলত সড়কপথের উপরে নির্ভরশীল। এলাকার বাসিন্দারা বহু দিন ধরেই রেলের দাবি করে আসছিলেন।
প্রস্তাবিত তৃতীয় লাইনটি রসুলপুর-জঙ্গলপাড়ার মধ্যে। ইঞ্জিন রিভার্সাল এড়ানোর জন্যে হাওড়া-বর্ধমান শাখার রসুলপুর থেকে কর্ড লাইনের পাল্লা রোডের মধ্যে সংযোগকারী এই নতুন বাইপাস লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়াও মসাগ্রামে সারফেস ক্রসিং এড়াতে ডাউন হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনকে মসাগ্রাম-বাঁকুড়া লাইনের সঙ্গে যুক্ত করতে একটি ডাউন রেল ওভারব্রিজও নির্মাণ করা হবে।
রেলের পরিকল্পনা, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের মাঠনশিপুর হল্ট-কে ব্লক স্টেশনে রূপান্তরিত করা এবং মাঠনশিপুর থেকে জঙ্গলপাড়া (তারকেশ্বর-আরামবাগ সেকশন) পর্যন্ত একটি নতুন রেললাইন তৈরি করা। এই লাইনটি পূর্ব রেল ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জংশনগুলির উপরে চাপ কমাবে।