• আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মৃত সংস্থার ৩ কর্মী, ঘটনার ৬০ ঘণ্টা পর দায় পাশের গুদামের উপর চাপাল ওয়াও মোমো
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • ঘটনাটি ঘটে গত রবিবার গভীর রাতে। নাজিরাবাদে পাশাপাশি অবস্থিত দু’টি গুদামে পরপর আগুন লাগে। রাতের ডিউটিতে থাকা একাধিক কর্মী ভিতরে আটকে পড়েন। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সরকারিভাবে এখনও মৃতের সংখ্যা ঘোষণা করা না হলেও, এখনও পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ওয়াও মোমোর গুদামের পিছন দিক থেকে তিনটি দেহাংশও উদ্ধার করা হয়েছে, যা এক জনের না একাধিক ব্যক্তির তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    ওয়াও মোমোর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ২৬ জানুয়ারি ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ পাশের গুদাম থেকে আগুন তাদের গুদামে ছড়িয়ে পড়ে এবং ওই গুদাম সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। সংস্থার দাবি, তাদের দু’জন কর্মী এবং এক জন চুক্তিভিত্তিক নিরাপত্তারক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন। পাশাপাশি, পাশের গুদামে বেআইনি ভাবে রান্নার কাজ চলছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    মৃত কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে সংস্থা।জানানো হয়েছে, প্রতিটি পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আজীবনের জন্য মাসিক বেতন এবং মৃত কর্মীদের সন্তানদের শিক্ষার সম্পূর্ণ খরচ বহনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার কথাও জানিয়েছে ওয়াও মোমো কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে ঘটনার পর থেকেই সংস্থার ভূমিকা এবং গুদামের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমাজমাধ্যমে একাংশ ওয়াও মোমো বয়কটের ডাকও দিয়েছেন।নাজিরাবাদের ধ্বংসস্তূপে এখনও কলকাতা পুরসভা ও দমকলের তল্লাশি চলছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এলেও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)