• ভয়ংকর অভিযোগ! সেলিম, মীনাক্ষী, শতরুপ-সহ সিপিএম নেতাদের বিরুদ্ধে এবার মামলা দায়ের পুলিসের...
    ২৪ ঘন্টা | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • মৌমিতা চক্রবর্তী:  মালদায় সভা করার জের। সেলিম, মীনাক্ষী, শতরুপ-সহ সিপিএম এর ২০ জনের বিরুদ্ধে এফ আই আর ইংরেজবাজার থানায়। এ নিয়ে বুধবার রাজনৈতিক চাপানউতর জেলায়। সিপিএমের অভিযোগ, শাসকদলের কথায় এই ষড়যন্ত্র করেছে পুলিস। পাল্টা সিপিএমকে তোপ দেগেছে তৃণমূল। সে দিন ইংরেজবাজারের সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক স্বয়ং। তা ছাড়াও মীনাক্ষী, শতরূপদের মতো রাজ্য সিপিএমের প্রথম সারির নেতৃত্ব ছিলেন।

    ২৪ জানুয়ারি সিপিএম একটি প্রতিবাদসভা ডাকে মালদার বৃন্দাবনী মহম্মদ সেলিম, মীনাক্ষী মুখার্জি, শতরূপ ঘোষ  মালদার বৃন্দাবনী মাঠে সভা করার অনুমতি চায়।


    পুলিসের অনুমতি না মেলায়, তাঁরা সরাসরি হাইকোর্টে যায়। হাইকোর্ট থেকে জানানো হয় মালদা কলেজের মাঠে তাঁরা সভা করতে পারবেন। কিন্তু মালদা কলেজ কর্তৃপক্ষ জানান যে, এখানে পরীক্ষা চলছে তাই এখানে কোনও সভা করা যাবে না। 

    সেখানেও সভা করতে না পেরে অবশেষে সিপিআইএমের থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রাজ্য সড়কের রথবাড়ি মোড়ে সিপিএমের সভা হবে। সভাস্থলে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ লোকের জনসমাগম হয়েছিল। যার জেরে প্রবল যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ এই সভার জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি আগে থেকে। 

    সিপিআইএমের তরুণ নেতা শতরূপ ঘোষকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানিয়েছেন, 'এগুলো খুচরো ব্যাপার, তৃণমূলের আমলে রাজনীতি করতে গেলে এই ধরনের এফআইআর হামেশাই হবে। এতে আমাদের কিছু যায় আসে না। ওরা এফআইআর করেছে, ওদের যা করার আছে করে নিক। আমরা রাস্তায় লড়ে নিয়েছি বাকিটাও লড়ে নেব। আমরা আদালতে বুঝে নেব। ওরা ভেবেছিল মাঠের পারমিশন না দেওয়ায়, আমাদের সভা করা আটকাবে। আমরা রাস্তায় সভা করেছি বাধ্য হয়ে। আমরা করতাম না, আমাদের কোনও উদ্দেশ্য ছিল না ন্যাশনাল হাইওয়ে আটকানোর। পুলিস আমাদের বাধ্য করেছে। মমতা ব্যানার্জির চটিচাটা পুলিস, আমাদের সভা আটকাতে না পেরে, সেদিন আমাদের জনসভার লোক দেখে, জোর করে সভা আটকাতে গেলে ওরা কুলিয়ে উঠতে পারত না। তাই তখন কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে পরে থানায় গিয়ে একটা এফআইআর করে দিয়েছে। সে আমরা বাকিটা আদালতে বুঝে নেব। এসব খুচরো ব্যাপারে আমাদের কিছু যায় আসে না'।

    মালদহ জেলা সিপিএমের সম্পাদক কৌশিক মিশ্র বলেন, ‘বিরোধীপক্ষ হিসাবে সিপিএম ক্রমশ উঠে আসছে। তাই সিপিএমকে আটকানোর প্রয়াস চলছে।' হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে সমস্ত প্রমাণ আছে। প্রশাসনকে আদালতে দাঁড় করাব। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে।’ পাল্টা রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, ‘এইসব জায়গায় সভা করলে যানজটের সৃষ্টি হয়। এক সময় আমরাও কেস খেয়েছি। পুলিস তো স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করেছে।'

     

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)