• আনন্দপুরের ঘটনায় প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিলে দমকল ও ফরেন্সিক
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
  • রবিবার গভীর রাতে মোমো ও তার সংলগ্ন গুদামে আগুনের শিখা প্রথম দেখতে পান আনন্দপুর এলাকার মানুষ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রায় দুদিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পরেই স্থানীয় পুলিশে অভিযোগ করে দমকল। শুরু হয় তদন্ত। দমকলের পাশাপাশি আগুন কীভাবে, তার উৎস খোঁজার কাজ শুরু করে ফরেনসিক। ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা। ঘটনার চারদিনের মাথায় যৌথ তদন্তের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট পুলিশে জমা দেওয়া হয়েছে।

    রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ডেকরেটার্সের গুদামের তিনতলায় প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকেই মোমো কারখানাতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রায় ৩৫ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে মোমো কারখানা এবং গোডাউনটি ছিল বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। এর মধ্যে মোমো কারখানাটি ছিল ৮ হাজার বর্গ ফুট এলাকায়।

    বাকি জায়গা ডেকরেটার্সের কাজে ব্যবহার করতেন ধৃত গঙ্গাধর দাস। এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। সূত্রের খবর, প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়লেও প্রয়োজনে ফের ফরেনসিককে ঘটনাস্থলে যেতে পারে। আগুনে ছাই হয়ে যাওয়া দুটি কারখানায় ধ্বাংসাবশেষ সরানোর কাজ চলছে। গ্যাস কাটার দিয়ে ভেঙে পড়া বড় বড় লোহার অংশগুলিকে সরানো হচ্ছে। তার মাঝেই আর্থ মুভার দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে চলছে দেহাবশেষ খোঁজার কাজ।

     
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)