• কী কারণে খুন সামসেরগঞ্জের হোটেলের মালিক? এখনও অন্ধকারে পুলিশ
    এই সময় | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
  • এখনও কোনও কিনারা হয়নি সামসেরগঞ্জের ধাবার মালিক খুনের ঘটনায়। কী কারণে ওই ধাবার মালিককে খুন করা হয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ধাবার দুই কর্মীকেও। তার পরেও কেন ওই খুনের ঘটনা তা নিয়ে অন্ধকারে পুলিশ। যদিও পুলিশের তদন্তের উপর ভরসা রাখছে নিহতের পরিবার।

    বুধবার রাতে সামসেরগঞ্জ থানার নতুন ডাকবাংলা মোড়ের কাছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া ধাবার মধ্যে খুন হন রাহুল বিশ্বাস (৩৪)। সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ান তারবাগান এলাকার বাসিন্দা যখন রাস্তার পাশে থাকা ওই হোটেলে বসেছিলেন তখনই তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায় এক দুষ্কৃতী। জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় রাহুলের।

    খুনের ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে এসেছিলেন ফরাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিন এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। তবে রহস্যের কিনারা হয়নি।

    ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার এলাকায় ছিল থমথমে পরিবেশ। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিড়ি পাতার ব্যবসায়ী রাহুল মাসে দুয়েক আগে ওই হোটেল চালু করেন। বুধবার রাতে এক জন দুষ্কৃতী হেঁটে সেখানে বসে থাকা রাহুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। ওই গুলির আওয়াজ শুনে লোকজন চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেয় এবং শোরগোল পড়ে যায়। সেই ফাঁকে দুষ্কৃতী পালিয়ে যায়। ওই দুষ্কৃতী পিছনের দিকে মাঠ দিয়ে ক্যানাল পেরিয়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান।

    পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সেভেন এমএম পিস্তল থেকে গুলি চালিয়েছিল ওই দুষ্কৃতী। রাহুলের মৃত্যু নিশ্চিত করতেই পাঁচ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। তবে এখন খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। মহিলাঘটিত কোনও কারণ নাকি অর্থনৈতিক কারণে ওই খুন, তা জানতে তদন্ত চলছে।

    সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ওই হোটেলের দুই কর্মীকে থানায় নিয়ে এসেছে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তবে এই নিয়ে কোনও তথ্য তারা দিতে পারেনি।

    রাহুলের বাবা মহম্মদ সাইনুল হক জানিয়েছেন, কেন এই খুন করা হয়েছে তার কারণ বুঝতে পারছেন না তিনি। যদিও পুলিশের তদন্তের উপর ভরসা আছে তাঁর।

  • Link to this news (এই সময়)