• অজিত-পত্নী সুনেত্রা পাওয়ারকেই উপমুখ্যমন্ত্রী করতে চাইছে এনসিপি
    বর্তমান | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
  • পুনে ও মুম্বই: অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর জেরে নেতৃত্ব সংকটে এনসিপি। কে হবেন দলের নতুন নেতা? শারদ পাওয়ার গোষ্ঠীর সঙ্গে পুনর্মিলনের উদ্যোগেরই বা কী হাল? বৃহস্পতিবার অজিত ‘দাদা’র শেষকৃত্যের দিন সবচেয়ে বেশি চর্চা এই দুই প্রশ্ন ঘিরেই। দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত, বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্রের মহাযুতি সরকারে নতুন উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন অজিত-পত্নী সুনেত্রা পাওয়ার। এদিন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রফুল প্যাটেল, ছগন ভুজবল, ধনঞ্জয় মুন্ডে ও সুনীল তাতকারের মতো দলের প্রবীণ নেতারা। সুনেত্রা বর্তমানে এনসিপির রাজ্যসভা সদস্য। প্রয়াত স্বামী অজিত পাওয়ারের বারামতী বিধানসভা আসন থেকেই তিনি উপনির্বাচনে লড়াই করতে পারেন বলে খবর। অজিত গোষ্ঠীর মতোই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ রণকৌশল নির্ধারণে তৎপরতা শুরু হয়েছে শারদ পাওয়ারের শিবির এনসিপি (এসপি)-র অন্দরেও। তারা চাইছে সবার আগে দুই গোষ্ঠী মিশে যাওয়ার কাজটা সেরে ফেলতে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কি শারদ শিবিরও বিজেপি নেতত্বাধীন সরকারে যোগ দেওয়ার পক্ষপাতী? এক্ষেত্রে অবশ্য স্পষ্ট কোনও উত্তর মিলছে না।এনসিপি সূত্রে খবর, অজিত ‘দাদা’র অবর্তমানে তাঁর স্ত্রীকেই উপমুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে চাইছেন দলের বড় অংশ। প্রফুল প্যাটেলকে দলের সভাপতি পদে বসানো নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। এনসিপি নেতারা তাদের প্রস্তাব নিয়ে শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন। অজিত পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ নেতা প্রমোদ হিন্দুরাও বলেন, ‘দাদা’র অবর্তমানে সুনেত্রা পাওয়ারেরই দলের রাশ ধরা উচিত। পার্টিকর্মীদের দায়িত্ব তাঁর হাতে থাকাই ভালো। আবার উলটো দিকে শারদ পাওয়ারের এনসিপি (এসপি)-র দলীয় সভাপতি শশীকান্ত সিন্ধের দাবি, ‘অজিত দাদা আবেগপ্রবণ মানুষ ছিলেন। তিনি স্বয়ং ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন, পুরভোটের পর দুই শিবির একসঙ্গে বসে পুনর্মিলনের কাজটা চূড়ান্ত করে ফেলুক। যা হাওয়ার হয়ে গিয়েছে। পরিবার একত্রে থাকুক। এবিষয়ে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। প্রয়াত অজিত দাদার সেই শেষ ইচ্ছা আমরা পূরণ করতে পারি কি না, সেটাই এখন দেখার।’ তাহলে কি শারদ পাওয়ার গোষ্ঠীও বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাযুতিতে যোগ দেবে? স্পষ্ট জবাব এড়িয়ে শশীকান্ত বলেন, এখনই এবিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। দুই গোষ্ঠীর সংযুক্তি নিয়ে আগে ইতিবাচক পদক্ষেপ হোক। এনসিপি (এসপি) নেতারা ক্ষমতাসীন জোটে যোগ দেবেন কি না, সেবিষয়ে পরেও আলোচনা করা সম্ভব।
  • Link to this news (বর্তমান)