• প্রিয় বারামতীতেই শেষকৃত্য ‘দাদা’ অজিত পাওয়ারের
    বর্তমান | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
  • মুম্বই: মহারাষ্ট্রের বারামতীর থেকে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেছিলেন অজিত পাওয়ার। বৃহস্পতিবার পাওয়ার পরিবারের শক্তঘাঁটি এই বারমতীর মাটিতেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হল ‘দাদা’র। এই নামেই তাঁকে চিনত মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহল। এদিন চোখের জলে প্রিয় নেতাকে চিরবিদায় জানালেন অসংখ্য অনুগামী। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে ৬৬ বছরের এই নেতার। বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। এই দুঃসহ পরিস্থিতিতে বউদি সুনেত্রাকে আগলে রাখতে দেখা গিয়েছে শারদ- কন্যা সুপ্রিয়া সুলেকে।প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে এদিন সকাল থেকে বিদ্যাপ্রতিষ্ঠান কলেজের মাঠে ভিড় জমতে শুরু করে। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, নীতিন গাদকারি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন, অজিতের দুই ছেলে পার্থ ও জয়। কিছুটা দূরে বসে সবটা দেখছিলেন অজিতের কাকা তথা মারাঠা স্ট্রংম্যান শারদ পাওয়ার। তাঁর চোখের সামনেই তিলে তিলে মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন অজিত। কাকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। এনসিপি ভেঙে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী পদও পেয়েছিলেন। সম্প্রতি ফের দু’জন কাছাকাছি আসতে শুরু করেছিলেন। সেতুবন্ধনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন শারদের কন্যা তথা সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। কিন্তু, সেই প্রক্রিয়া অপূর্ণই থেকে গেল।এদিন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চ্যবন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হর্ষবর্ধন, অভিনেতা রীতেশ দেশমুখ শেষশ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তার আগেই প্রয়াত উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছিলেন শিবসেনা (ইউবিটি) সুপ্রিমো উদ্ধব থ্যাকারে ও এমএনএস প্রধান রাজ থ্যাকারে। বিদ্যাপ্রতিষ্ঠান কলেজের মাঠে হাজির হয়েছিলেন কয়েক হাজার সমর্থক। তাঁরা শ্লোগান দিতে থাকেন—‘অজিত দাদা অমর রহে’।
  • Link to this news (বর্তমান)