আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মোমো তৈরি সংস্থার দুই কর্মী। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে তাঁদের নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম মনোরঞ্জন সিট ও রাজা চক্রবর্তী। মনোরঞ্জন মোমো তৈরির কারখানার ম্যানেজার, রাজা চক্রবর্তী সংস্থার ডেপুটি ম্যানেজার।
গত ২৫ জানুয়ারি আনন্দপুরের নাজিরাবাদে একটি ডেকরেটার্সের গোডাউনে আগুন লাগে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের মোমো তৈরির কারখানাতে, সূত্রের খবর এমনটাই। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে গত মঙ্গলবার। জানা গিয়েছে, ওই গোডাউন এবং কারখানায় একাধিক কর্মী কাজ করতেন। আগুন লাগার পরে নিখোঁজ হয়ে যান ২৮ জন। এখনও পর্যন্ত ২৫টি দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে।
অভিযোগ, ওই গোডাউন এবং কারখানাতে অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থ পরিদর্শন করে জানিয়েছিলেন, FIR করা হবে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশও। ওই গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোমো সংস্থার বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল।
দুর্ঘটনাস্থলে বুধবার মধ্যরাত থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা (IPC-র ১৪৪ ধারা) জারি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। এই ঘটনায় পরিকাঠামোগত নজরদারির অভাবের অভিযোগ সামনে রেখে শুক্রবার গড়িয়ার শীতলা মন্দির থেকে নরেন্দ্রপুর রেল স্টেশন পর্যন্ত মিছিল করতে চলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।