দার্জিলিঙে তুষারপাতের সম্ভাবনা, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে কনকনে শীত ফিরবে?
আজ তক | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
জানুয়ারির শুরুতে জমাটি ইনিংস খেলেছিল শীত। কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা হয়েছিল বঙ্গবাসীর। তবে চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকেই চড়তে থাকে পারদ। আর জানুয়ারির শেষে এসে তো শীত বিদায়ের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে গোটা দক্ষিণবঙ্গে।
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোজই উপরের দিকে যাচ্ছে। যার ফলে বেলা বাড়তেই লাগছে গরম। গায়ে রাখা যাচ্ছে না শীত পোশাক। তবে ঠিক তার উল্টো ছবি ধরা পড়ছে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায়। সেখানে ঠান্ডা এখনও রয়েছে। পাশাপাশি তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দক্ষিণবঙ্গ ও কলকাতার আবহাওয়া থাকবে কেমন?
হাওয়া অফিসের তরফে জানান হয়েছে, কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে রাত এবং ভোরের দিকে আপাতত ঠান্ডার আমেজ থাকবে। তবে বেলা বাড়তেই লাগবে গরম। গায়ে রাখা যাবে না শীত পোশাক।
আগামী কয়েক দিন কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা মোটামুটি থাকবে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। আর পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকতে পারে। সেখানে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। যার ফলে শীত কিছুটা হলেও অনুভব করা যাবে।
আবার উপকূলের আশপাশে বেশ গরম থাকবে। ওই সব জায়গায় ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
যদিও সবথেকে বড় কথা হল, কলকাতা বা দক্ষিণের অন্যান্য জেলায় আর কনকনে ঠান্ডা ফিরবে না। বরং ফেব্রুয়ারিতেই শীত বিদায় শুরু হয়ে যাবে। চালাতে হবে ফ্যান।
কেন হঠাৎ বাড়ছে তাপমাত্রা?
আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, একাধিক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছে। এছাড়া উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর সক্রিয় রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। তারই প্রভাব পড়ছে গোটা বাংলায়।
উত্তরবঙ্গে কেমন থাকবে আবাহওয়া?
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং সহ একাধিক পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি থাকতে পারে ঘন কুয়াশা। তবে ঠান্ডা থাকবে ভালই। বিশেষত, দার্জিলিং, কালিম্পং, সান্দাকফুতে জমাটি শীত অনুভব হবে।
যদিও শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি বা মালদায় শীতের প্রভাব কমবে। তবে এই সব জেলায় দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় পারদ থাকবে নীচের দিকে।
কুয়াশার খেলা
আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই কয়েকটা দিন রাজ্যের সব এলাকাতেই কুয়াশা থাকবে। বিশেষত, ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে বেশি। তাই এই সময় বেরলে সাবধান হওয়া ছাড়া গতি নেই।