• কেন LIC কর্মীদের মাইক্রো অবজ়ারভার হিসেবে নিয়োগ? ব্যাখ্যা চাইল হাইকোর্ট
    এই সময় | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
  • রাজ্যের SIR প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজ়ারভার হিসেবে LIC কর্মীদের নিয়োগের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা চাইল হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ, এ নিয়ে দু’সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন এবং LIC কর্তৃপক্ষকে বক্তব্য জানাতে হবে। ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।

    মামলায় অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন মাইক্রো অবজ়ারভার হিসেবে ১২০৪ জন LIC কর্মীকে SIR-এর কাজে নিয়োগ করেছে। ওই কর্মীরা প্রতিদিনের কাজের জন্য বোনাস পান। এই কাজের ভিত্তিতে বছর শেষে পারফরমেন্স বোনাস পেয়ে থাকেন। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজে নিয়োগ করায় তাঁরা তাঁদের নিজেদের পেশার কাজ করতে পারছেন না। বিচারপতি রাওয়ের প্রশ্ন, ‘কমিশন চাইলেও LIC কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট ভাবে ওই কর্মীদেরই কেন এসআইআরের কাজে নাম পাঠিয়েছে?’ সে ব্যাপারে কোনও পক্ষ স্পষ্ট বক্তব্য জানাতে না পারায় আদালত রিপোর্ট তলব করে।

    ভোটার তালিকা ত্রুটি মুক্ত রাখতে প্রতিটি ধাপে নজরদারি চালান অবজ়ারভাররা। মেট্রো রেল, রেল, জীবনবিমা নিগম, কোল ইন্ডিয়া, ডিভিসি, শুল্ক দপ্তর-সহ কলকাতায় বা জেলায় থাকা কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস কর্মীদের থেকেই মূলত মাইক্রো অবজ়ারভার করে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। এই তালিকায় ছিলেন LIC-র কর্মীরাও। কারণ, LIC কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। কিন্তু সেখানকার কর্মীদের একটা বড় অংশের যুক্তি, SIR-এর কাজ করতে গিয়ে বছর শেষে তাঁদের নিজেদের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে।

    প্রতিটি শুনানি কেন্দ্রেই মাইক্রো অবজ়ারভারদের হাজির থাকতে হয়। কাজের তদারকি করতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে তাঁরা ভোটারদের দাখিল করা নথির বৈধতাও যাচাই করেন। বিএলও যে এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজ় করছেন, সেগুলিও খতিয়ে দেখতে হয় মাইক্রো অবজ়ারভারদের। গোটা কাজে সঠিক ভাবে নজরদারি চালানোই তাঁদের কাজ।

  • Link to this news (এই সময়)