এসএসসির তরফে জানানো হয়েছে, দৃষ্টিহীন ও লেখায় অসুবিধা রয়েছে এমন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। দুই পরীক্ষার জন্য প্রায় ১,৫০০-র বেশি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রয়োজন হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। যদিও পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মাধ্যমিক পরীক্ষার মতোই কড়া নজরদারিতে এই পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার লিখিত ধাপ শেষ করতে আগ্রহী ছিল রাজ্য সরকার ও শিক্ষা দপ্তর। সেই কারণেই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দ্রুত পরীক্ষার অনুমোদন চেয়ে নবান্নে প্রস্তাব পাঠানো হয়। প্রথমে ১ ও ১৫ মার্চ পরীক্ষার প্রস্তাব থাকলেও, নবান্নের অনুমোদনের পর তা পরিবর্তিত হয়ে ১ ও ৮ মার্চ চূড়ান্ত হয়।