• ভীম পুজোয় উৎসব উদয়নারায়ণপুরে
    বর্তমান | ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ভীম পুজো। মহাভারতের শক্তিশালী পাণ্ডব ভীমকে কেন্দ্র করেই এই পুজোর প্রচলন। ভৈম একাদশীতে গ্রামবাংলার মানুষ মেতে ওঠে ভীম পুজোয়। মানুষের বিশ্বাস, ভীম ছিলেন অসীম শক্তির অধিকারী। মনে করা হয়, ভীম পুজো করলে শক্তি বাড়ে, সাহস বাড়ে, দূর হয় ভীতি। আবার অনেকের বিশ্বাস, এই পুজো করলে ভীমদেব সন্তুষ্ট হবে। তাহলে ভালো ফসল হবে, কমবে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, সুখ-শান্তি বিরাজ করবে সংসারে। সেকারণে বৈচিত্র্যময় বাংলায় প্রচলিত পুজো পার্বণের পাশাপাশি পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম শক্তিধর ভীমের আরাধনা করা হয়।রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরের বেশ কয়েকটি জায়গায় ধুমধাম সহকারে ভীম পুজো অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচারুল গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর হরিশপুর নেতাজি সংঘের ভীম পুজো এবার ৩২ বছরে পা দিল। উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি, সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ দীনবন্ধু পাল বলেন, এই পুজোকে কেন্দ্র করে ১০ দিনের মেলা বসে। যাত্রা, নাটক, পুতুলনাচ, বাউল গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অন্যদিকে, হরালি উদয়নারায়ণপুরের কুরচি ভীমতলায় বায়রা কুরচি সংঘের পুজো এবার ৪৮ তম বর্ষে পদার্পণ করল। পুজো কমিটির সভাপতি শিশির খেটো বলেন, ১৯৭৮ সালে এই পুজো শুরু হয়। এখানে ভীমের উচ্চতা ২০ ফুট। এখানে সাতদিনের মেলা হয়। আশপাশের গ্রামের মানুষ পুজোয় অংশ নেন। হরালি গ্রামের ৫০ বছরের পুজো ও উদয়নারায়ণপুরের ছড়িপাড়ার পুজোকে ঘিরে উৎসবের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক ও লোক সংস্কৃতির চর্চাকারি সুখেন্দু চন্দ্র বলেন, এটা মূলত কৃষি প্রধান এলাকার পুজো।  উত্তর হরিশপুরের ভীম পুজো ।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)