সকাল থেকে পানীয় জল নেই কালীঘাট-বেহালা-যাদবপুর সহ একাধিক এলাকায়, কবে স্বাভাবিক পরিষেবা?
আজ তক | ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
পুরসভার নির্দেশিকা ছিল আগেই। সেই মতো শনিবার সকাল থেকেই কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জল সরবরাহ বন্ধ। ভোগান্তি সাধারণ মানুষের। সারাদিন জল পাবেন না দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার একটি বড় অংশের মানুষ।
কোন কোন অংশে জল মিলছে না?
কালীঘাট, রানিকুঠি, গড়ফা, চেতলা, গল্ফগ্রিন, লালকা, বেহালা, সিরিটি, দাসপাড়া, বাঁশদ্রোণি, গান্ধী ময়দান, সেনপল্লি, প্রফুল্ল পার্ক, পর্ণশ্রী, মেটিয়াবুরুজ, শকুন্তলা পার্ক এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। গার্ডেনরিচ, যাদবপুর, টালিগঞ্জ, বেহালা, জোকা, কসবা, মহেশতলা, বজবজ এলাকাতেও দিনভর জল বন্ধ থাকবে।
কেন বন্ধ জল সরবরাহ?
কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, গার্ডেনরিচের পাম্পিং স্টেশন ও পাইপ লাইনে রক্ষণাবেক্ষণের কাজের প্রয়োজন। সে কারণেই শনিবার, ৩১ জানুয়ারি দক্ষিণ কলকাতা ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পানীয় জল পরিষেবা। ভালভ বসানো, পাইপলাইন এবং সংস্কারের কাজ চলবে এই লাইনে।
কতক্ষণ মিলবে না পানীয় জল?
এদিন সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পানীয় জল মিলেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থেই এই সময়ের জন্য পরিষেবা স্বাভাবিক রেখেছিল পুরসভা। তবে নির্দিষ্ট এই সময়ের পর থেকে গার্ডেনরিচ জলপ্রকল্পের আওতাভুক্ত বিভিন্ন বুস্টার পাম্পিং স্টেশন থেকে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এর জেরে জল পাবে না দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা।
কখন স্বাভাবিক হবে পরিষেবা?
পুরসভা জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে ফের পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। রবিবার সকাল ৬টা থেকেই মিলবে পানীয় জল।
কী জানাচ্ছেন মেয়র?
গত বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী ২৫ বছর পরেও কলকাতায় জলের কোনও সমস্যা থাকবে না। কলকাতা পুরসভার গার্ডেনরিচ এলাকার ময়লা ডিপোতে একটি জল প্রকল্প হবে বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি। প্রায় ৪০ মিলিয়ন গ্যালন জল এই প্রকল্প থেকে উৎপাদন হবে। হাইরাইজ বিল্ডিং, আবাসনের কারণে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় জলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন এই জল প্রকল্পটি কার্যকর হয়ে গেলে আগামী ২৫ বছর পরেও কলকাতা শহরে আর পানীয় জলের সমস্যা হবে না বলেই দাবি করেছেন মেয়র।