শাহ বলেন, ‘’অগ্নিকাণ্ডে আপনার লোক শামিল মমতাজি। জলা জমিতে গুদাম হয়েছে। তা বাইরে থেকে কেন বন্ধ ছিল? ভিতরে লোক জ্বলে পুড়ে মরেছে। বাইরে আসতে পারেননি। মমতাজি, পর্দা দিতে চাইলে দিন, এপ্রিলের পরে বিজেপি সরকার আসবে। এই অগ্নিকাণ্ডের অপরাধীদের জেলে পাঠাব।’
শাহ আনন্দপুর কারখানা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি তুললেন। অপরাধীদের জেলে পাঠানোর দাবি তুললেন। তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দুরা। তাঁদের বাধা দেওয়া হয়।
শাহ বলেন, ‘আনন্দপুরে যে আগুন লেগেছে, তা দুর্ঘটনা নয়। ২৫ জন মৃত। ২৭ জন নিখোঁজ। কেন হল? মোমো কারখানার মালিক যিনি, তিনি কার ঘনিষ্ঠ? সেখানে কার টাকা বিনিয়োগ হয়েছে? বিমানে ওই মালিক সফর করেছেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হল না কেন? এত জন মারা গেলেন, অনুপ্রবেশকারী হলে এ রকমই করতেন মমতাজি? এই নিয়ে রাজনীতি কেন করছেন? লজ্জা পাওয়া উচিত।’
শাহ ‘হরিচাঁদ ঠাকুরের পবিত্র মাটিকে’ প্রণাম জানান। তিনি বলেন, ‘’বন্দে মাতরম এ বছর ১৫০ বছরে পা দিয়েছে। ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বন্দে মাতরম লেখেন। স্বাধীনতার লড়াই যাঁরা করেছিলেন, তাঁরা একে মন্ত্র করেছিলেন। যাঁরা শহিদ হন, সকলের মুখে শেষ শব্দ ছিল বন্দে মাতরম। মোদী সরকার এই গানের ১৫০ বছর পূর্তির উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।‘