• শুনানিতে ডাক পড়ল বুথের অর্ধেক ভোটারেরই, হয়রানি নিয়ে শুরু রাজনৈতিক তরজাও
    এই সময় | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • মালদায় অব্যাহত SIR নিয়ে হয়রানি ছবি। একটি বুথ থেকেই শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে অর্ধেক ভোটারকে। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। হয়রানির জন্য একে অপরকে দায়ী করছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি।

    মালদার ইংলিশ বাজার পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথ। ওই বুথে মোট ভোটার ১ হাজার ২০০ জন। তাঁদের মধ্যে শুনানিতে ডাক পড়ে ৬১৭ জন ভোটারের। শনিবার তাঁদের সবাইকেই শুনানির জন্য আসতে বলা হয় মালদা জেলা স্কুলে।

    যাঁদের ডাকা হয়েছিল তাঁদের কারোর নামের অক্ষর ভুল, আবার কারোর বাবার নামে গরমিল আছে। আর এই কারণেই ১৬৩ নম্বর বুথের সারদা পল্লি, মিরচক, কারবালা এলাকার মানুষদের এক যোগে ডাকা হয়। নোটিস পেয়ে সকাল সকাল তাঁরা হাজির হয়েছিলেন শুনানি কেন্দ্রে। যাঁদের ডাকা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে ছিলেন অসুস্থরাও। এমন কি সাত দিন আগে সন্তানের জন্ম দেওয়া মহিলাকেও আসতে হয়। সদ্যোজাত সন্তানকে ঘরে রেখেই তাঁকে আসতে হয় ওই কেন্দ্রে। স্বামী এবং মায়ের কাঁধে ভর করে এসে তাঁকে প্রায় ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। যদিও এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর গায়ত্রী ঘোষের হস্তক্ষেপে শুনানির ব্যবস্থা করা হয় তাঁর।

    কিন্তু সেখানে আসার পরেই তাঁর মতো অন্যদেরও হয়রানির শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ।

    এই নিয়ে সাধারণ ভোটার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা দায়ী করছেন নির্বাচন কমিশনকে।

    কী কারণে একটি বুথের অর্ধেক ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গায়ত্রী ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, ‘বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন এলাকার বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে।’

    যদিও বিজেপি পাল্টা এই নিয়ে কটাক্ষ করছে তৃণমূলকে। বিজেপির দক্ষিণ মালদার সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন দাসের দাবি, এই হয়রানির জন্য দায়ী এলাকার কাউন্সিলর এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই। তাঁরাই বিএলওদের নিয়ে ইচ্ছা করে ভুল করিয়েছন বলেও দাবি তাঁর।

  • Link to this news (এই সময়)