পূর্ব বর্ধমানে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছে ৫২ হাজার ৯৬০ পরীক্ষার্থী
বর্তমান | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানে ৫২ হাজার ৯৬০জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছে। এবারও ছাত্রদের টেক্কা দিয়েছে ছাত্রীরা। ২৮ হাজার ৮৪৯ ছাত্রী পরীক্ষায় বসবে। ছাত্রের সংখ্যা ২৪ হাজার ১১১ জন। গতবছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালে ৪৫ হাজার ৮৪৮জন পরীক্ষা দিয়েছিল। জেলায় এবার মেন ভেন্যুর সংখ্যা ৫৪টি। সাব ভেন্যু রয়েছে ৬৯টি। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে তিনটি করে সিসিক্যামেরা থাকছে। পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোঁয়ার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছেন। কন্যাশ্রী প্রকল্পে তারা পড়াশোনার খরচ পাচ্ছে। উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড থেকে লোন পাচ্ছে। এসব কারণের জন্যই পড়াশোনার ক্ষেত্রে ছাত্রীরা ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনর অমিতকুমার ঘোষ বলেন, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরের সঙ্গে যেসব শিক্ষক-শিক্ষিকারা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্বে থাকতে পারবেন। কালনা মহকুমা থেকে এবার ১২ হাজার ১৪৮জন মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছে। ১১ হাজার ১৪০জন ছাত্রছাত্রী কাটোয়া মহকুমা থেকে পরীক্ষা দেবে। বর্ধমানের দু’টি মহকুমা থেকে ২৯ হাজার ৬৭২জন পরীক্ষা দেবে। অসুস্থ পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোবাইল, স্মার্টওয়াচ সহ কোনও ইলেকট্রনিক গ্যাজেট এবারও পরীক্ষা কেন্দ্রে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নজর এড়িয়ে এগুলি নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকলে তার পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়া হবে।শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কমিশন এসআইআরের কাজে নিয়োগ করে। তার ফলে অনেক স্কুলের পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। কমিশন এটা না করলেই পারত। শেষ মুহূর্তে অনেক শিক্ষক ক্লাস করাতে পারেননি। তাঁরা নোটিস বিলির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের উপর মানসিক চাপ তৈরি করা হয়। এখন অব্যাহতি দিয়ে কী লাভ?