• বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ কমে অর্ধেক, সর্বোচ্চ সাহায্য ভুটানকে, চাবাহার বন্দরের জন্য বরাদ্দ শূন্য
    বর্তমান | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: গত এক বছরে আমূল বদলেছে বাংলাদেশ। বদলেছে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও। তারই প্রভাব পড়ল কেন্দ্রীয় বাজেটে। আগামী অর্থবর্ষে ঢাকার জন্য বরাদ্দ কমিয়ে অর্ধেক করল নয়াদিল্লি। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ছিল ১২০ কোটি। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা হয়েছে ৬০ কোটি। তবে ঠিক উলটো ছবি ধরা পড়েছে ভুটান, নেপালের মতো দেশের ক্ষেত্রে।২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে বিদেশি উন্নয়ন সহায়তা খাতে মোট ৫৬৮৫ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যা গতবারের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ভুটানের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২,২৮৮ কোটি টাকা। যা তালিকায় থাকা বাকি সমস্ত দেশের তুলনায় সর্বাধিক। গত অর্থবর্ষের তুলনায় ভুটানকে সাহায্যের পরিমাণ বেড়েছে ৬ শতাংশ। এর পর রয়েছে নেপাল, বরাদ্দ ৮০০ কোটি। গত অর্থবর্ষের তুলনায় যা প্রায় ১৪% বেশি। শ্রীলঙ্কার জন্য বরাদ্দ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। মালদ্বীপ ও মরিশাসের জন্য ৫৫০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। এছাড়াও আফগানিস্তানের জন্য ১৫০ এবং মায়ানমারকে ৩০০ কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এবারের বাজেটে ইরানের চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।এবারের বাজেটে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২২৫ কোটি এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলির জন্য রাখা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। এই বিদেশি অনুদান মূলত পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ প্রকল্প, রাস্তা, সেতু, আবাসনএবং স্থানীয় স্তরের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। বাজেট বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি বজায় থাকলেও, এবারের বাজেটে কিছু দেশের ক্ষেত্রে কৌশলগত ও কূটনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন স্পষ্ট। বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে। উল্লেখ্য, বিদেশ মন্ত্রকের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট ২২,১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)