• শিলাবতীর জল বাড়লেই ডুবে যায় ভেলাইডিহা-পাথরডাঙা কজ‌ওয়ে, নতুন সেতুর দাবি একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের
    বর্তমান | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, খাতড়া: শিলাবতী নদীর দুই তীরে রয়েছে একাধিক গ্রাম। পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে লক্ষ্মীসাগর রতনপুর রাজ্যসড়ক। এই সড়কের সংযোগস্থল হল সিমলাপাল ব্লকের শিলাবতী নদীর উপর তৈরি হওয়া ভেলাইডিহা-পাথরডাঙা কজ‌ওয়ে। যা বর্তমানে খুবই নিচু। ফলে প্রায় প্রতিবছরই বর্ষায় কজ‌ওয়েটি শিলাবতী নদীর জলের তলায় চলে যায়। লক্ষ্মীসাগর রতনপুর রাজ্য সড়কের উপর সমস্ত রকমের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যায় পড়তে হয় ৩০-৩৫টি গ্রামের মানুষকে। উঁচু করে সেতু তৈরি হলে এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে বলে দাবি।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলাবতী নদীর উপর ভেলাইডিহা-পাথরডাঙা কজ‌ওয়েটি দীর্ঘ বাম জমানায় তৈরি হয়েছিল। এই কজ‌ওয়ে তৈরির পর নদীর দুই তীরে থাকা তিনটি পঞ্চায়েতের মানুষ খুবই উপকৃত হয়। বাঁশি, কেশাতি, কুরুপুর, কাইরান এবং গাড়রা সহ মাচাতোড়া অঞ্চলের প্রায় সবকটি গ্রাম, হাড়মাসড়া পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম ও লক্ষ্মীসাগর পঞ্চায়েতের ভেলাইডিহা সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষজন উপকৃত হন। কিন্তু, বর্ষা সহ বছরের বিভিন্ন সময় টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হলেই এই কজওয়ে জলের তলায় চলে যায়। অতীতে ডুবে থাকা এই কজ‌ওয়ে পার হতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাই পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তরফে ডুবে থাকা কজ‌ওয়ের উপর জলস্তর বৃদ্ধি পেলেই যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষেধ করে দেওয়া হয়।মাচাতোড়ার স্বপন শতপথী ও সমীর মাহাত বলেন, শিলাবতী নদীর উপর থাকা ভেলাইডিহা-পাথরডাঙা কজ‌ওয়ে নিচু হওয়ায় প্রতি বর্ষায় জলের তলায় চলে যায়। বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হলে দীর্ঘদিন ধরে কজ‌ওয়ে জলের তলায় ডুবে থাকে। তখন যান চলাচল থেকে পায়ে হেঁটে যাওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্যা আজকের নয়। উঁচু ও চওড়া সেতু হলে সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাওয়া পাবে।বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় বলেন, আমি নিজেও দেখেছি, ওই কজ‌ওয়ে অনেকটা লম্বা হলেও নিচু। জেলায় প্রচুর কাজ হচ্ছে, তাই মানুষের চাহিদা বাড়ছে। ইতিমধ্যেই এবিষয়ে প্রদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কাজও শুরু হয়েছে। আগামী দিনে ভেলাইডিহা-পাথরডাঙা কজ‌ওয়েটিও উঁচু ও চওড়া করে তৈরি হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)