মাধ্যমিকের প্রথম দিন পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে সোমবার সকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়েছিল ছাত্রী। সেখানেই তাকে সাপে কামড়ায় বলে দাবি। কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার তাড়ায় পাত্তা দেয়নি বর্ষা বাগদি নামে ওই ছাত্রী। পরে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিষয়টি সামনে আসে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সোমবার পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ব্লকের গোপালপুরের ঘটনা।
গোপালপুর গার্লস স্কুলের ছাত্রী বর্ষার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল গোপালপুর বয়েজ স্কুল। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ষা। স্কুলের শিক্ষকদের সে জানায়, সকালে তাঁকে সাপে কামড়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে স্কুলের এক শিক্ষক তাকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হতেই পরীক্ষা দিতে চায় বর্ষা। ওই হাসপাতালের জরুরি বিভাগেই পরীক্ষার ব্যবস্থা কর হয়। হাসপাতালে বসে পরীক্ষা দিয়েছে ওই ছাত্রী।
বর্ষাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন শিক্ষক সুমিত মাঝি। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আতঙ্কের কিছু নেই। বিষহীন সাপ কামড়েছে। চিকিৎসা করা হয়েছে। ছাত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল।’
হাসপাতালের বেডে বসেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল মহম্মদ আফনান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ আফনান দুবরাজদিঘি হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তার আসন পড়েছিল সাধনপুর হাই স্কুলে। ২১ জানুয়ারি কাফ সিরাফ ভেবে পোকা মাকড় মারার কীটনাশক খেয়ে ফেলে আফনান। অসুস্থ অবস্থায় তাকে বর্ধমান মেডিক্যাল ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় বেডে বসেই জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিল আফনান।