আবার কাঁপাবে? কলকাতায় ১৫ ডিগ্রিতে নামল, আপনার জেলায় কত, IMD আপডেট
আজ তক | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেব্রুয়ারির শুরুতে ফের কমল কলকাতার তাপমাত্রা। সোমবারও স্বাভাবিকের নীচে নেমেছে কল্লোলিনীর তাপমাত্রা। পাশাপাশি কুয়াশাও রয়েছে শহরে।
কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?
IMD জানিয়েছে, এ দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৫ ডিগ্রি কম। ও দিকে দমদমের তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা আবার স্বাভাবিকের থেকে ০.৬ ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে কলকাতার সল্টলেকের তাপমাত্রা খানিকটা উপরের দিকে ছিল। এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কনকনে ঠান্ডা পড়বে আবার?
নতুন করে কনকনে ঠান্ডা পড়ার সম্ভবনা নেই। এমনটাই আবহাওয়া কিছু দিন চলতে পারে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
দক্ষিণবঙ্গের আর কোথায় কী?
IMD জানাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কমেছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এই যেমন আসানসোলে ছিল ১২.১ ডিগ্রি, অশোকনগরে ১২.১ ডিগ্রি, বহরমপুরে ১৩.৪ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১২.৯ ডিগ্রি, বিষ্ণুপুরে ১২.৯ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১৩.৬ ডিগ্রি, ডায়মন্ডহারবারে ১৫ ডিগ্রি, দিঘায় ১৫.৮ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ১৪.৪ ডিগ্রি, মুর্শিদাবাদে ১০.৬ ডিগ্রি, মেদিনীপুরে ১৫ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১৩ ডিগ্রি এবং শান্তিনিকেতনে ১৪.৬ ডিগ্রি ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
উত্তরবঙ্গের কী খবর?
দক্ষিণবঙ্গের থেকে যে উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট বেশি থাকবে, এই কথা তো বলাই বাহুল্য! জলপাইগুড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.২ ডিগ্রি, কোচবিহারে ১০.৮ ডিগ্রি, মালদায় ১৪.৯ ডিগ্রি ও শিলিগুড়িতে ১২.৮ ডিগ্রি।
আর ও দিকে দার্জিলিং পাহাড়েও আজ বেশ ঠান্ডা ছিল। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃষ্টি কি হবে?
না, আপাতত বৃষ্টির কোনও আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। শুকনোই থাকবে আবহাওয়া। তবে কুয়াশার দাপট থাকবে। কম যেতে পারে দৃশ্যমানতা। অনেক ক্ষেত্রে ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটারে নেমে যেতে পারে দৃশ্যমানতা।
ও দিকে কুয়াশার দাপট বেশি দেখা যেতে পারে উত্তরের সব জেলায়। বিশেষত, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার দাপট বাড়বে। এই সব জেলায় ৫০ মিটারে নেমে যেতে পারে দৃশ্যমানতা। তাই সকালে বা ভোরের দিকে বাইরে বেরলে সাবধান হন।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে
ভারতে তৈরি হয়েছে একাধিক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। সেই কারণে কিছুদিন ধরে তাপমাত্রা বাড়ছিল। তবে গত দুই দিন ধরে কলকাতার তাপমাত্রা খানিকটা কমেছে। তাতেই আশায় বুক বাঁধছেন সাধারণ মানুষ। যদিও আবার নতুন করে কনকনে ঠান্ডা পড়ার আশঙ্কা নেই।