• মাধ্যমিক পরীক্ষায় মিলছিল না অ্যাডমিট, ত্রাতা হিসেবে এগিয়ে এলেন DM
    এই সময় | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়, তমলুক: স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জেরে মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট হাতে পাচ্ছিল না তিন পরীক্ষার্থী। শেষ মুহূর্তে ত্রাতা হিসেবে এগিয়ে এলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল। পর্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রবিবার রাতেই ভুল সংশোধন করে তিন পরীক্ষার্থীর হাতে অ্যাডমিট কার্ড পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। সোমবার নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দিল তিন পরীক্ষার্থী। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁশকুড়ার মালিদা ভূষণচন্দ্র হাইস্কুলের ছাত্র শেখ আরমান ও প্রতাপপুর হাইস্কুলের ছাত্রী অঙ্কিতা দোলাই, এবং পটাশপুরের শ্রীরামপুর হাই স্কুলের ছাত্র শোভন মাইতি-তিন জনের -হাতেই পরীক্ষায় বসার অ্যাডমিট কার্ড এসে পৌঁছায়নি।

    কী ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে তা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন তাঁদের পরিবার। খবর জানতে পেরে তৎপর হন জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল। তিনি বলেন, 'শনিবার খবর পাই, তিন জন পরীক্ষার্থী স্কুলের ভুলের কারণে অ্যাডমিট পাচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বোর্ডের কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সহযোগিতামূলক ভূমিকা নেন। রবিবার রাতেই ভুল সংশোধন করে আমরা সেই তিন পরীক্ষার্থীর হাতে অ্যাডমিট পৌঁছে দিতে পেরেছি। আজ তারা পরীক্ষায় বসেছে।' পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এ বছর মোট ৬৭ হাজার ৪৮১ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র-৩২ হাজার ৫৮২ জন এবং ছাত্রী-৩৪ হাজার ৮৯৯ জন।

    জেলার মোট ১১৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা চলছে-যার মধ্যে ৬৭টি মেন সেন্টার এবং ৪৮টি সাব সেন্টার। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। ২০২৫ সালে জেলার মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৬ হাজার ৭৭৮ জন ছাত্র ৩১ হাজার ৯৬৭ জন, ছাত্রী ৩৪ হাজার ৮১১ জন। তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭০০ জন বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা এবং ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের সজাগ রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা পুলিশ সুপার মিতুনকুমার দে বলেন, 'পরীক্ষা কেন্দ্রগুলির আশপাশে টহলদারি করা হয়েছে। আমরা চাই, প্রত্যেক পরীক্ষার্থী যাতে সুষ্ঠু ভাবে পরীক্ষা দিতে পারে।'

  • Link to this news (এই সময়)