• ভোটের মুখে ধুতি পরে রাস্তা সংস্কার বিজেপি বিধায়কের, যেমন খুশি, তেমন সাজো-কটাক্ষ তৃণমূলের
    বর্তমান | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: কয়েক মাস আগে গাজোল বিধানসভার পাণ্ডুয়ায় গামছা মাথায় বেঁধে কালভার্টের রাস্তা সংস্কারে নেমেছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণ। ভোটের মুখে সোমবার মাঝরা গ্রাম পঞ্চায়েতে তকিপুর গ্রামে ধুতি পরে মাথায় ইটের টুকরো নিয়ে কাঁচা রাস্তা সংস্কারের কাজে নেমে পড়লেন তিনি। যা দেখে তৃণমূলের কটাক্ষ, পাঁচ বছরে কাজের কাজ কিছুই করেননি।  বিধানসভা নির্বাচন আসতেই যেমন খুশি, তেমন সাজো প্রতিযোগিতায় নেমেছেন বিধায়ক। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কথায়, গত পাঁচ বছরের কাজের কাজ কিছুই করেননি। এখন নিজের প্রচার করার জন্য বিধায়ক মাঠে নেমে পড়েছেন। তাঁর টিপ্পনি, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন খুশি, তেমন সাজো প্রতিযোগিতা হয়। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক কখনও ধুতি পরছেন, আবার গামছা বেঁধে কৃষক সেজে অভিনয় করছেন।যেখানে এদিন চিন্ময়কে কাজ করতে দেখা যায়, সেই মাঝরা গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। তাই তৃণমূল বলতে শুরু করেছে, পাঁচ বছরে কাজ করতে ব্যর্থ বিধায়ক ও পঞ্চায়েত। ভোট এসেছে বলে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করা হচ্ছে। চিন্ময় বলেন, আমাদের দখলে পঞ্চায়েত থাকলেও বড় কাজ করার জন্য পঞ্চায়েতে ফান্ড থাকে না। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতি কাজ দেয় না। বিজেপির বিধায়ক বলে আমিও বঞ্চিত। সেজন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে রাস্তা সংস্কার করছি।মাঝরা গ্রাম পঞ্চায়েতে রয়েছে তকিপুর গ্রাম। সেখানে দেড় হাজারের বেশি মানুষের বসবাস। পাশাপাশি, পাতাল সিংহ পাড়া সহ অন্য গ্রামের পঞ্চায়েতের মানুষ তকিপুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করেন। অভিযোগ, ওই গ্রামের এক কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন বেহাল। এলাকার কৃষক, ছাত্রছাত্রী সহ সকলের সমস্যা হয়। বর্ষায় মানুষের ভোগান্তির শেষ থাকে না। অতীতে বিধায়ক সহ পঞ্চায়েত সদস্যদের বলে কাজ হয়নি বলে দাবি।বিজেপির স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দীপক সরকার বলেন, গত জানুয়ারির শেষের দিকে একটি পুজোর অনুষ্ঠানে বিধায়ক এসেছিলেন। তখন গ্রামবাসীরা তাঁকে রাস্তা করে দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেজন্য এদিন সংস্কার কাজ করতে এসেছিলেন।  ধুতি পরে রাস্তা সংস্কারের কাজ করছেন বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণ।
  • Link to this news (বর্তমান)