নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সহযোগিতায় অ্যাডমিট কার্ড পেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পেরেছে কেশপুরের নমিতা বাগ। সে কেশপুরের উচাহার হাই স্কুলের পড়ুয়া। নমিতার বাড়ি কেশপুর ব্লকের কলাগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এতে পরিবার ও গ্রামের মানুষ খুব খুশি।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাধ্যমিকের ফর্ম পূরণের সময় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে নমিতার অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু হয়নি। বিষয়টি জানার পর থেকেই দুশ্চিন্তায় তাঁর ঘুম উড়ে যায়। স্কুলের তরফে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চললেও সুরাহা হচ্ছিল না। পরে উচাহার হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি শেখ হবিবুর রহমান বিষয়টি কেশপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহাকে জানান।হাবিবুর রহমান জানান, নমিতার রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংগ্রহ করে শিউলি সাহা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে দ্রুত মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। রবিবার ছুটির দিন হলেও পর্ষদের তরফে প্রধান শিক্ষককে ফোন করে ডেকে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি, স্কুলের প্রধান শিক্ষক খোকনচন্দ্র দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কলকাতায় শিক্ষা দপ্তরে যান। এরপর দ্রুত হাতে অ্যাডমিট কার্ড পায় নমিতা। এদিন সে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসে। পর্ষদের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা জানান, রবিবার বিকেলে জেলায় দুই ছাত্রী অ্যাডমিট কার্ড পেয়েছে, নমিতা তাদের মধ্যে একজন। সবার চেষ্টায় সে পরীক্ষা দিয়েছে। এদিকে, রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহা বলেন, ওই ছাত্রীর সাফল্য কামনা করি। স্কুল শিক্ষা দপ্তর ও আমাদের নেতা স্কুল পড়ুয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে। এতে সবাই খুশি। এদিকে ওই ছাত্রীর দাদা সোমনাথ বাগ বলেন, বোন পরীক্ষা দিয়েছে। এজন্য আমরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।