• মালিয়ারা গ্রামে সেচখালের সেতুতে রেলিং নেই, যাতায়াত করতে সমস্যা
    বর্তমান | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামের মালিয়ারা গ্রামে সেচখালের উপরে ছোটো সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় বাসিন্দা থেকে স্কুল পড়ুয়াদের। দীর্ঘদিন ধরেই সারা বছরেই ওই সাঁকো দিয়ে আশেপাশের চারটি গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। গার্ড রেলিং না থাকায় সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে পড়ে হাত-পা ভাঙছে পড়ুয়াদের। তাছাড়া ছোটোখাটো দূর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, ওই ছোটো সাঁকো চওড়া করে সেতু তৈরি করে দিক প্রশাসন। আমরা বার বার প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। সেতু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রামের বাসিন্দারা। আউশগ্রাম-২ বিডিও চিন্ময় দাস বলেন, আমি বিষয়টি খোঁজ নেব।আউশগ্রাম -২ ব্লকের মালিয়ারা গ্রামের দক্ষিণ মাঠ দিয়েই ডিভিসির সেচখাল বয়ে গিয়েছে। ওই সেচখালের অপরপাড়ে রামনগর পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রাম অবস্থিত। ওই গ্রাম দিয়েই দীননাথপুর, উল্লাসপুর, রামনগর যাওয়া যায়। মালিয়ারা গ্রামের বাসিন্দারা ওই ছোটো ওই সাঁকো পেরিয়েই দীর্ঘদিন ধরেই যাতায়াত করেন। সাঁকো দিয়ে না গেলে প্রায় দু’কিমি রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। তাই গ্রামের বাসিন্দারা চাইছেন ওই সাঁকোটা অন্তত চওড়া করে ছোটো সেতু করে দেওয়া হোক। তা না হলে রাতে ওই সাঁকো দিয়ে যেতে গিয়ে বড়সড় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। জানা গিয়েছে, ওই সাঁকোটি প্রায় ১৫ ফুট লম্বা আর মাত্র ৩ ফুট চওড়া। বহু বছর আগে ডিভিসি ওইসব গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য লোহার বিম দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে সাঁকোটা তৈরি করা হয়েছিল। সাইকেল নিয়ে সাঁকো দিয়ে হেঁটে গেলেও ঝুঁকি থেকে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা নিশিকান্ত ঘোষ, জীবন বাগদি বলেন, বর্ষাকালে ওই সাঁকোর পথ কাদায় প্রচণ্ড পিচ্ছিল হয়ে যায়। তখন অনেকেই পড়ে গিয়ে জখম হন। এর আগে বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার ওই সাঁকো পেরিয়ে যেতে গিয়ে পড়ে হাত আর পা ভেঙেছে। মালিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা চিন্ময় ঘোষ বলেন, আমরা ব্লক প্রশাসনে বহুবার জানিয়েছি। ডিভিসিকে জানিয়েছি। তবুও কোনও কাজ হচ্ছে না।
  • Link to this news (বর্তমান)