• কলকাতাকে আরও গতিশীল করতে হবে ট্রাফিক পুলিশকে নির্দেশ নয়া সিপির
    বর্তমান | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রাফিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাইলেন কলকাতা পুলিশের নবনিযুক্ত কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। লক্ষ্য একটাই, যাতে কলকাতা শহরকে আরও গতিশীল করা যায়। দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার দুপুরে লালবাজারে সবক’টি ট্রাফিক গার্ডের ওসি, এসি’দের সঙ্গে এক বৈঠকে এই বার্তা দিয়েছেন কমিশনার। এই বৈঠকে সিপি ছাড়াও কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার-৪ পান্ডে সন্তোষ, ডিসি (ট্রাফিক) ওয়াই এস জগন্নাথ রাও, যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) রূপেশ কুমার উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিন রাতেই শহরের আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিকের হালচাল খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে বের হন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার।পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক পুলিশকে এই কাজের জন্য সাতদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। কলকাতা শহরে যানবাহনের গতি বাড়াতে যা যা করণীয়, তা করতে হবে ট্রাফিক পুলিশকে। দরকারে সিগন্যাল ব্যবস্থায় রদবদল করতে হবে। সিপির কথায়, দিনের ব্যস্ত সময়ে ট্রাফিক পুলিশকে রাস্তায় দেখতে চাই। ঘরে বসে ট্রাফিক পরিচালনা করা যাবে না। কাজ করতে গিয়ে কোথাও কোনও সমস্যা হলে, ঊর্ধ্বতন কর্তাদের তা জানাতে হবে।শতাংশের হিসেবে দেশের আর পাঁচটা মেট্রো শহরের তুলনায় কলকাতায় রাস্তা অনেকটাই কম। এখানে যানবাহনের চাপ বেশি। মিছিল-মিটিং লেগেই থাকে শহরে। ফলে হাজার প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করতে হয় কলকাতা ট্রাফিক পুলিশকে। শহরে মাত্রাছাড়া যানজট হলে জনমানসে কলকাতা পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। ভূমিপুত্র হিসেবে বিষয়টি অজানা নয় নতুন সিপির।তাই যানজট কমিয়ে শহরকে যে কোনও উপায়ে আরও গতিশীল করতে মরিয়া সুপ্রতিম সরকার। কলকাতা পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করাই তাঁর লক্ষ্য। উল্লেখ্য, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই শনিবার বিকালের ভিডিও কনফারেন্সে সিপি ট্রাফিক পুলিশের উদ্দেশে বলেছিলেন, রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি যাতে সাধারণ মানুষের চোখে পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এদিন রাতে লালবাজার ফেরত আচমকাই শহর পরিদর্শনে বের হন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। লালবাজার থেকে পার্ক সার্কাস, গড়িয়াহাট, হাজরা, খিদিরপুর, ডোরিনা ক্রসিং, শ্যামবাজার মোড়, হাডকো মোড় সরেজমিনে ঘুরে দেখেন নবনিযুক্ত সিপি। রাতের শহরের আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন লালবাজার-প্রধান।
  • Link to this news (বর্তমান)