• পুরসভার ভাঁড়ারে টাকা নেই, বেতন নিয়ে চিন্তায় চেয়ারম্যান
    এই সময় | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়, বালুরঘাট: হাতে মাত্র আট থেকে দশ দিন সময়। পুরকর্মীদের বেতন ও পেনশন দিতে প্রয়োজন ৯০ লক্ষ টাকা। অথচ পুরসভার তহবিলে পড়ে রয়েছে সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা। এই পরিস্থিতিতে কী ভাবে জানুয়ারি মাসের বেতন দেওয়া হবে, চিন্তায় বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষ। চেয়ারম্যানের অবশ্য দাবি, ঠিক সময়ে বেতন ও পেনশন টাকা পাবেন পুরকর্মীরা। ২০২২-এর ২২ মার্চ বর্তমান পুরবোর্ড বালুরঘাট পুরসভার দায়িত্বভার নেয়। সেই সময়ে পুরসভার নিজস্ব ফান্ড ছিল ৩ কোটি ৮৬ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা।

    বর্তমানে বালুরঘাট পুরসভায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ১৩০০-র বেশি কর্মী রয়েছেন। এ ছাড়া প্রায় ১৭০ জন পেনশনার্স রয়েছেন। সরকারি বিভিন্ন ফান্ডের পাশাপাশি পুরসভার নিজস্ব ফান্ড থেকে ৭০ লক্ষ টাকা বেতন এবং ২০ লক্ষ টাকা পেনশন বাবদ দেওয়া হয়। অশোককুমার মিত্রের পদত্যাগের পরে চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব নেন সুরজিৎ সাহা। ফলে দায় এখন তাঁর ঘাড়ে এসে পড়েছে।

    তিনি বলেন, '২০২২-এ আমাদের বোর্ড যখন ক্ষমতায় আসে তখন পুরসভায় ৩ কোটি ৮৬ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা ছিল। ২০২৫ এর ৩১ ডিসেম্বর সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ১৭লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা। হাতে কম টাকা থাকায় কিছুদিন ধরেই পুরসভার কর্মীদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। সমাধানের সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে।' আশা করছি ১০ তারিখের মধ্যেই সকলকে বেতন ও পেনশনের টাকা পরিশোধ করতে পারব।'

    পুরসভার নিজস্ব ফান্ডে টাকা কম থাকার পিছনে প্রাক্তন চেয়ারম্যানের দিকে আঙুল তুলেছেন পুরসভার একাংশ কাউন্সিলার ও বিরোধীরা। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, 'যখন টাকা ছিল তখনও তৃণমূল ছিল। যখন টাকা নেই তখনও তৃণমূল রয়েছে। তাহলে মানুষে ভালোই বুঝতে পারছে, টাকা কে নয়ছয় করেছে?' প্রাক্তন চেয়ারম্যান বলেন, 'পুরসভার নিজস্ব ফান্ডের কালেকশন প্রতি মাসে হয় না। সারা বছরের কালেকশনের উপরে নির্ভর করে ওই ফান্ড। বর্তমানে যে পরিমাণ অর্থ রয়েছে, তা এপ্রিল-মে মাসে অনেক বেড়ে যাবে। ট্যাক্সের টাকা লোকে একবারে দিয়ে দেয়।'

  • Link to this news (এই সময়)