কলকাতা, দুর্গাপুর ও আসানসোলের একাধিক ঠিকানায় ইডির তল্লাশি
দৈনিক স্টেটসম্যান | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ আসানসোলের জামুরিয়ায় পৌঁছয় ইডির একটি দল। বুদবুদ থানার নতুন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের সিটি সেন্টারের বেঙ্গল অম্বুজার বাড়িতে হানা দেয় আরেকটি দল। সকাল থেকেই শুরু হয় টানা তল্লাশি। এখনও বুদবুদ থানার দায়িত্বভার গ্রহণ করেননি মনোরঞ্জন মণ্ডল।
দুর্নীতির অভিযোগে আসানসোলের বারাবনি থানা থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন মনোরঞ্জন মণ্ডল। আসানসোল পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে ছিলেন তিনি। বর্তমানে তাঁকে বুদবুদ থানার ওসি করা হয়েছে। যদিও থানার দায়িত্ব এখনও গ্রহণ করেননি তিনি। তার আগেই ইডির এই অভিযান ঘিরে উঠছে প্রশ্ন। মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়ি ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান জেলার একাধিক প্রান্তে কয়লা ও বালি ব্যবসায়ীদের বাড়িতেও হানা দেয় ইডি।
দুর্গাপুরের বালি ব্যবসায়ী প্রবীর দত্ত ও তাঁর ভাই অমিত দত্ত। তাঁর বাড়িতেও এদিন তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। সেপকোতে প্রবীর দত্তে বাড়িতে এদিন সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। প্রবীর দত্ত কে কে মিনারেলস সংস্থার মালিক। পানাগড়ে তাঁর অফিস। এছাড়াও বাঁকুড়ার মালিয়ারায় পাথর খাদান, বালি খাদান রয়েছে। কাঁকসার সিলামপুরেও বালি খাদান আছে।
সেপকোতেই প্রবীরের ভাই অমিত দত্তের বাড়িতেও একই সময়ে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অমিত দত্ত দাদা প্রবীর দত্তের বালি খাদান দেখাশোনা করেন। এ ছাড়াও বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমানের একাধিক বালি খাদান অংশীদারিত্বে চালান।
পানাগরের বালি ব্যবসায়ী শেখ হাসিম মির্জা বেগের অম্বুজার বাড়িতে, অণ্ডালের বক্তারনগরের শেখ কিরণ মণ্ডল, পাণ্ডবেশ্বরের কয়লা ব্যবসায়ী শেখ মাইজুল-সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বাড়িতেও চলছে অভিযান। এছাড়া কলকাতা ও দিল্লিতেও চলছে তল্লাশি।