• একমাত্র গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগম এবার মিশছে অন্য সংস্থার সঙ্গে
    বর্তমান | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কথা ছিল ২০২২ সালের মধ্যে সব ঘরে পানীয় জলের সংযোগ হয়ে যাবে। সকলের মাথার উপর হবে ছাদ। সকলের জন্য হবে বিদ্যুৎ। কোনও প্রতিশ্রুতিই পূরণ হয়নি। উলটে ২০২৬ সালের বাজেটে দেখা গেল জল জীবন মিশনের বরাদ্দ কমানো হয়েছে। আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের বাজেট বরাদ্দও কমে গিয়েছে। এবার বিদ্যুৎ নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত হচ্ছে। বাজেট বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন যে, পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন এবং রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশন নিয়ে বড়োসড়ো কোনো সিদ্ধান্ত হবে।রিভিউ করা হবে এই দু‌ই সংস্থাকেই। দুদিনের মধ্যেই সরকারি সূত্রের খবর গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমকে আর পৃথকভাবে রাখা‌ই হবে না। এই সংস্থার অস্তিত্ব মিশিয়ে দেওয়া হবে পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশনের সঙ্গে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন ২০২০ সাল থেকেই ধীরে ধীরে গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমের কিছু কিছু অংশিদারিত্ব গ্রহণ করতে শুরু করে। পাওয়ার ফিনান্সের ৫৬ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে ভারত সরকারের কাছে। আবার এই কর্পোরেশনের হাতেই চলে এসেছে গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমের ৫২ শতাংশ শেয়ার। প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন সংযুক্তির পরিকল্পনা? এই দুটি সংস্থাই সরকারের নবরত্ন প্রতিষ্ঠান। দুটির কাজ আলাদা। তাহলে আগামী দিনে গ্রামে বিদ্যুতের যে প্রকল্পগুলি এই সংস্থা দেখভাল করে এবং এদের অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি কী হবে? সরকারি সূত্রের খবর, এই দুই সংস্থাই শুধু নয়, এপ্রিল মাস থেকে আরও বেশি সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণ হতে চলেছে। বিভিন্ন সেক্টরের জন্য যেসব ক্ষেত্রে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলির পৃথক সত্তা আর রাখা হবে না। যথাসম্ভব সংযুক্তিকরণ ও  বেসরকারিকরণ হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলির সিংহভাগের মাথায়  ডিরেক্টর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। তাহলে কি সরকারি সংস্থার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হবে বলেই ধীরে ধীরে নতুন নিয়োগও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? পাওয়ার কর্পোরেশন ও রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশনের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ক্যাবিনেট নোট তৈরি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হবে। শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। নতুন আর্থিক বছরেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তার আগে রিভিউ কমিটি নিয়োগ করা হচ্ছে।
  • Link to this news (বর্তমান)