• নতুনদের নিয়ে নতুন গল্প! ফের প্রযোজনায় মেঘলা, কোন গল্প বলবে ‘মরমী’?
    আজকাল | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • তরুণদের নিয়ে তরুণদের গল্প বলতেই নতুন ছবি তৈরি করছেন পরিচালক অনিন্দ্য সেনগুপ্ত। ছবির নাম ‘মরমী’। এটি একটি ত্রিকোণ প্রেমের গল্প, যার মধ্যে রয়েছে অতিপ্রাকৃত ছোঁয়া। মফঃস্বলে জীবন শুরু করা দুই যুবকের বহু বছর পর হঠাৎ দেখা হয় কলকাতার এক পরিত্যক্ত বাড়িতে। একসময় প্রেমের ময়দানে তারাই ছিল পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। দীর্ঘ বিরতির পর এই পুনর্মিলন তাদের জীবনে কীভাবে মোড় ঘোরায়, সেই গল্পই বলবে ‘মরমী’।

    ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলিতে অভিনয় করছেন বিশ্বাবসু বিশ্বাস, মেঘলা দাশগুপ্ত এবং শ্রমণ চ্যাটার্জি। পার্শ্বচরিত্রে দেখা যাবে ঐশিকি ঘটক ও অবীপ্সা দেবরাজকে। সিনেমাটোগ্রাফির দায়িত্বে রয়েছেন স্নিগ্ধেন্দু ঘোষাল।

    অনিন্দ্য তাঁর ছবিকে ‘ইউথ ফিল্ম’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পরিচালকের কথায়, “এতদিন ইউথ ফিল্ম বলতে বড় ব্যানারে ছবি, ঝাঁ চকচকে মেট্রোপলিটানের গল্পকেই বোঝানো হত। তবে আমাদের ছবি সেরকম নয়। ‘মরমী’ মফঃস্বলের তরুণ-তরুণীদের কথা বলবে। তাদের জীবনকে তুলে ধরবে।”

    তবে নতুন মুখ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বাজেটের সীমাবদ্ধতা কি অনুভূত হয়েছে? এই প্রশ্নে অনিন্দ্যের উত্তর স্পষ্ট, “এই ছবিটা আমরা করব ঠিক করেছিলাম কারণ এটা করতে আমাদের বিশাল বাজেট প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি মনে করি, কম বাজেটে সবচেয়ে ভাল কাজটা করে দেখানোও একটা ভাল চর্চা।”

    ‘মরমী’-র প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন মেঘলা দাশগুপ্ত ও শ্রমণ চট্টোপাধ্যায়। এর আগেও তাঁরা যৌথভাবে প্রযোজনা করেছিলেন তথ্যচিত্র ‘হিয়ার্সে’, যা ২০২৪ সালে এনএফডিসি আয়োজিত প্রথম ‘ডক বাজারে’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়। অতীতে মেঘলা তাঁর বাবা বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। অভিনেত্রী হিসেবেও তিনি পরিচিত মুখ। তবে এবার অপেক্ষাকৃত নতুনদের সঙ্গে নতুন কিছু করার ইচ্ছেই এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়া।

    মেঘলার কথায়, “ইন্ডাস্ট্রিতে আমরা অনেক সময়ই নানা ধরনের অভিযোগ শুনি। হয় আমরা অভিযোগই করে যাব, না হলে নিজেরাই কোনও একটা পরিবর্তন আনব। আমার মনে হয় নতুনদের নিয়ে কাজ করার জন্য জায়গা তৈরি করে নিতে হবে। আমরাও সেই চেষ্টাই করছি। চেষ্টা, পরিশ্রম আর একটু সমর্থন থাকলে অনেক দূর পর্যন্ত যাওয়া যায়।”

    খুব অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত মেঘলা, তবে ক্যামেরার নেপথ্যের কাজেও তাঁর আগ্রহ বরাবরই। নিজের কাজের প্রযোজনার দায়িত্ব নিজেই নেওয়ার স্বপ্ন ছিল তাঁর। ‘মরমী’র মাধ্যমে সেই লক্ষ্যের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি।
  • Link to this news (আজকাল)