বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বরাত জোরে বাঁচল ইস্তানবুলগামী তুরস্কের একটি বিমান। কলকাতা বিমানবন্দরে এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করানো হল। এই মুহূর্তে খবর, কলকাতা বিমানবন্দরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডু থেকে ইস্তানবুল যাচ্ছিল বিমানটি। হঠাত্ বিমানে আগুনের ফুলকি দেখা যায়। তড়িঘড়ি কলকাতা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয় বিমানটিকে।
কলকাতা বিমানবন্দরেই জরুরি অবতরণ
কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রের খবর, টার্কিশ এয়ারলাইন্সের 727 বিমানের ডান ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায় আকাশে। বিমানের ক্যাপ্টেন তত্ক্ষণাত্ এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলকে জানায়। এটিসি বিমানটিকে সবচেয়ে নিকটবর্তী কলকাতা বিমানবন্দরেই জরুরি অবতরণ করাতে বলে। বিমানটিতে ২৩৬ জন যাত্রী ছিল। তাঁদের নিরাপদে সরানো হয়েছে বলে খবর। কলকাতা এয়ারপোর্টে বিমানটিকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল বিমানটির ডান দিকের ইঞ্জিন পরীক্ষা করছে। আগুনটি কেবল একটি কারিগরি ত্রুটি ছিল নাকি আসলেই কোনও গুরুতর ইঞ্জিন সমস্যা ছিল, তা খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছেন বিশেজ্ঞরা। পরবর্তী পরিদর্শন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিমানটি গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে।
কাঠমান্ডু থেকে তুরস্কের ইস্তানবুলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল
সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, তুরস্কের টার্কিশ ৭২৭ বিমানটি নেপালের কাঠমান্ডু থেকে তুরস্কের ইস্তানবুলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। আকাশেই পাইলট কিছু যান্ত্রিক গোলযোগের ইঙ্গিত পান। তাঁর সন্দেহ হয়, বিমানের ডান দিকের ইঞ্জিনটিতে আগুন ধরেছে। ওই সময় বিমানটি কলকাতার কাছাকাছি ছিল। সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা বিমানবন্দরের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাইলট। তবে তুরস্কের বিমানসংস্থার তরফে এখনও বিষয়টিতে অফিসিয়ালই কিছু জানানো হয়নি।
সম্প্রতি একাধিক বিমান দুর্ঘটনা
তুরস্কের বিমানের এই জরুরি অবতরণ ফেরাল গত বছর ১২ জুন আহমেদাবাদের স্মৃতি। আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি যাত্রিবাহী বিমান ওড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সামনের ভবনে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়েছিল। ২৬০ যাত্রীর মৃত্যু হয় ওই দুর্ঘটনায়। ২০২৫ সালের সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। আবার সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের।