• মণিপুরে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ খেমচাঁদ সিংয়ের, সঙ্গে দুই ডেপুটি, রাষ্ট্রপতি শাসনে ইতি
    বর্তমান | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ইম্ফল: গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল মণিপুর। উত্তর-পূর্বের রাজ্যে শান্তি স্থাপনে ব্যর্থ হওয়ায় পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। এরপর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে মোদি সরকার। এরইমধ্যে ফের নিজেদের সরকার গঠনের চেষ্টাও চালিয়ে গিয়েছে বিজেপি। এক্ষেত্রে দলের মতপার্থক্য মিটিয়ে রফাসূত্রে পৌঁছনোর পর শুরু হয় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। বুধবার এক বছরের মাথায় প্রত্যাহার করা হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। তারপরেই নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জুমনাম খেমচাঁদ সিং। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নেমচা কিপজেন ও লোসি দিখো। উত্তরপূর্বের রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন গোবিন্দদাস কন্থোউজাম। তিনি বিজেপি শরিক এনপিপির নেতা। মুখ্যমন্ত্রী মেইতেই সম্প্রদায়ের।  তাঁর দুই ডেপুটি  কুকি ও নাগা গোষ্ঠীর।এদিন শপথের আগে খেমচাঁদের নেতৃত্বে এনডিএ বিধায়করা ইম্ফলে লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপাল অজয় ভাল্লার কাছে সরকার গঠনের আর্জি জানান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দুই কুকি-জো বিধায়ক এল এম খাউতে ও নাগুরসাংলুর সানাতে। মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, নতুন সরকার রাজ্যে শান্তি ও উন্নয়নের গতি ফিরিয়ে আনবে বলে আমি নিশ্চিত।  এদিন সন্ধ্যা ৬টায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন খেমচাঁদ। দিল্লিতে মণিপুর সরকারের গেস্টহাউস থেকে ভার্চুয়ালি শপথ নিয়েছেন নেমচা। এদিকে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে নারাজ কুকি-জো’দের মূল সংগঠন। পাশাপাশি, যেসব বিধায়করা সরকারে অংশ নিয়েছেন, তাঁদেরও প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।  প্রসঙ্গত,  ২০২৩ সালে ৩ মে থেকে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয় মণিপুর। প্রাণ হারান অন্তত ২৬০ জন। ঘরছাড়া কমপক্ষে ৬০ হাজার। ছবি: পিটিআই ।
  • Link to this news (বর্তমান)