বিশ্বাসঘাতক বন্ধু বনাম দেশের শত্রু, রাহুল-বিট্টু বাগযুদ্ধ
বর্তমান | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নয়াদিল্লি: সংসদের মকর দ্বার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কংগ্রেস সাংসদরা। হাতে ব্যানার। হাজির লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও। সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা রেলের রাষ্ট্রমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু। তাঁকে দেখেই রাহুল বলেন, ‘এখান থেকে একজন বিশ্বাসঘাতক হেঁটে যাচ্ছে। ওঁর মুখটা দেখুন।’ এখানেই থামেননি বিরোধী দলনেতা। এরপর বিট্টুর সঙ্গে হাত মেলাতেও যান। বলেন, ‘কী খবর ভাই। আমার বিশ্বাসঘাতক বন্ধু। চিন্তা করো না। তুমি কংগ্রেসে ফিরে আসবে।’ বিজেপি সাংসদ পাল্টা বলেন, ‘আপনি দেশের শত্রু।’ রাহুলের হাত মেলানোর প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেন। সূত্রের খবর, বাগযুদ্ধের নেপথ্যে রয়েছেন প্রাক্তন এই কংগ্রেসিই। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি শিবির বদলে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে প্রার্থীও করা হয়। জয়ী হওয়ার পর রেলমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীও হয়েছেন। এদিন কংগ্রেসের বিক্ষোভ দেখে তিনি বলেন, ‘ওঁরা এমনভাবে বসে রয়েছে যেন যুদ্ধ জিতেছে।’ তাঁর এই মন্তব্যের পরই নাকি শব্দযুদ্ধ শুরু হয়! রাহুলের হাত মেলানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান প্রসঙ্গে বিট্টু বলেন, ওঁরা বিশ্বাসঘাতক। দেশের শত্রু। প্রতিদিন সেনা ও দেশের সম্পর্কে কটু মন্তব্য করে। ওঁরা শিখদের হত্যাকারী। তাই সর্দাররা কখনই গান্ধী পরিবারের কারও সঙ্গে হাত মেলাবে না। বিট্টু বলেন, ‘জানি না, রাহুল আজ মাদকাসক্ত ছিলেন কি না, উনি আমার উপর হামলাও করেন।’ এই আচরণের জন্য সংসদে অভিযোগ জানানোরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রাহুলকে কড়া আক্রমণ করেছেন দিল্লির মন্ত্রী মানজিন্দর সিং সিরসা।