সংবাদদাতা, বালুরঘাট: কুমারগঞ্জ বিধানসভায় ৩৫ হাজারের বেশি মানুষকে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি এবং নো ম্যাপিংয়ের কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এই হয়রানিতে বাদ যাননি খোদ তৃণমূল বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডলও। তাঁকে মঙ্গলবার শুনানি কেন্দ্রে হাজির হতে হয়েছিল। ভোটারদের এই হয়রানিকেই হতিয়ার করছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক দলের দাবি, এই হয়রানির কারণেই বিজেপির ভোট তৃণমূলের ঝুলিতে আসবে।বুধবার তোরাফ বলেন,বিনা কারণে হয়রান করা হচ্ছে। প্রত্যেকদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বিপুল ভোটারকে। আমার বাবার নামের বানান ভুলের জন্য ডাকা হয়েছিল। মানুষ বিজেপির ওপর ক্ষিপ্ত। বিজেপি কোনোদিন এই বিধানসভায় কিছু করতে পারেনি। ওদের সংগঠন বলে কিছু নেই।এদিকে, শক্তি বৃদ্ধি করতে অনেক জায়গায় যোগদান থেকে শুরু করে নানা কর্মসূচি চালাচ্ছে বিজেপি। দলের জেলা সম্পাদক রজত ঘোষ বলেন, বিধায়ক এলাকার উন্নয়ন করেননি। দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে তৃণমূল। তাই এবার কুমারগঞ্জ বিধানসভার মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবেন। সংখ্যালঘু ভোটাররা এটাকে হয়রানি মনে করছেন না। তৃণমূল ভুল বোঝাচ্ছে।সম্প্রতি কুমারগঞ্জে হয়রানির অভিযোগ তুলে মাইক্রো অবজারভারকে মারধর করা হয়েছে। এছাড়া বিক্ষোভও হয়েছে কিছু জায়গায়। কুমারগঞ্জের এক বাসিন্দা অহিদুর মণ্ডল বলেন, নামের সামান্য ভুলের কারণে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ফলে চরম হয়রান হচ্ছি।কুমারগঞ্জের আটটি এবং গঙ্গারামপুর ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে কুমারগঞ্জ বিধানসভা। ৩৮ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু ভোটার।কাজেই ভোটের হারজিত নির্ণয় করেন সংখ্যালঘু ভোটাররা। ২০১১ সাল থেকে আসনটি তৃণমূলের দখলে রয়েছে। ২০২১ সালে তোরাফ ২৯ হাজার ভোটে জয়ী হন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনেও কুমারগঞ্জ বিধানসভা থেকে ২৮ হাজার ভোটে লিড দেয় তৃণমূল। তাই এবারও এই আসনে জয় নিশ্চিত বলে মনে করছে শাসক দল।