• কালবৈশাখীর ঝুঁকি কমাতে ভুট্টার জমিতে সাথী ফসল, দিনহাটায় পরীক্ষার ফল দেখে খুশি দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানীরা
    বর্তমান | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, দিনহাটা: কোচবিহার জেলায় ক্রমেই বাড়ছে ভুট্টা চাষ। সাধারণত নভেম্বর মাসে এই ফসল লাগানো হয় এবং মার্চের শেষ বা এপ্রিল মাসে তোলা হয় শস্য। ঠিক সেই সময়ে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা থাকে। যার ফলে ক্ষতির মুখে পড়েন চাষিরা। এই সমস্যার প্রতিকার খুঁজতে গবেষণায় নেমেছে উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। অস্ট্রেলিয়া সরকারের আর্থিক সহায়তায় ভুট্টার সঙ্গে সাথী ফসল চাষের পরীক্ষামূলক উদ্যোগ শুরু হয়েছে কোচবিহার জেলায়।এই প্রকল্পের আওতায় দিনহাটা মহকুমার দিনহাটা–২ ব্লকের বামনহাট এলাকায় ভুট্টার জমিতে সাথী ফসলের চাষ করা হচ্ছে। বুধবার সেই পরীক্ষার ফল খতিয়ে দেখতে অস্ট্রেলিয়া, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষি বিজ্ঞানীদের একটি প্রতিনিধি দল দিনহাটায় আসে। ভুট্টার সঙ্গে শীতকালীন সবজি চাষের ফলাফল দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তাঁরা।দিনহাটায় মোট ১৬ জন ভুট্টাচাষি নিজেদের জমিতে সাথী ফসল চাষে যুক্ত হয়েছেন। ভুট্টাখেতেই ধনে পাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বিনস ও মটরশুঁটির চাষ করা হয়েছে। এক বিঘা জমিতে সাথী ফসল হিসেবে শুধু ধনে পাতা বিক্রি করেই প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় করেছেন একাধিক চাষি। ভুট্টার জমিতে শাকসবজি চাষ করে স্বনির্ভর হয়ে উঠছেন অনেক মহিলারাও।বিশ্ববিদ্যালয়ের শস্য বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান বিপ্লব মিত্র জানান, দেশ ও বিদেশের মোট ১৬ জন কৃষি বিজ্ঞানী দিনহাটায় এসে ভুট্টার সঙ্গে শীতকালীন শাকসবজি চাষের ফলাফল সরেজমিনে দেখেন এবং তাতে তাঁরা অত্যন্ত খুশি।  অধ্যাপক প্রতীক মোদক ভট্টাচার্য বলেন, কালবৈশাখীর ঝড়ে ভুট্টা চাষিদের ক্ষতি কমাতেই এই ধরনের সাথী ফসল চাষের উদ্যোগ।
  • Link to this news (বর্তমান)