জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজ্য সরকারের জন্য আজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজই ডিএ মামলার রায় হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে। অন্যদিকে, আজ রাজ্যের অন্তর্বর্তি বাজেট পেশ করবে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় বাজাটে বাংলার ভাগ্যে তেমন কিছুই জোটেনি। রাজ্য বাজেটে কিছু মেলে কিনা তার দিকেই তাকিয়ে রাজ্যের মানুষ। তবে সবার নজর লক্ষীর ভাণ্ডার, ডিএ ও আশাকর্মীদের বেতনের দিকে।
বিধানসভা ভোটের আগে শেষ বাজেট পেশ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। ফলে সেখানে জনমোহিনী কিছু থাকার সম্ভাবনা প্রবল। মোট তিনটি বিষয়ের উপরে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহল-সহ সাধারণ মানুষের। একটি হল রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ, রাজ্যের মহিলাদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও আশা কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি। ভোটের আগে অনেকেই আশা করছেন, লক্ষ্ণীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়াতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ওই তিনটি বিষয় ছাড়াও পথশ্রী ও বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপরে নজর থাকবে আম জনতার। পাশাপাশি নজর থাকতে পারে কর্মশ্রী প্রকল্পের উপরেও। কারণ একশো দিনের কাজ বন্ধের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন এই প্রকল্প। তাতে উপকৃত হয়েছেন বহু মানুষ। ফলে এই প্রকল্পের বরাদ্দ বৃদ্ধির উপরে নজর থাকবে। কারণ রাজ্য সরকারের নিজের চালু করা প্রকল্পের যে ব্যয় তা কোথা থেকে আসবে সেটাও দেখার।
লক্ষ্ণীর ভাণ্ডারে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত মহিলারা মাসে পান এক হাজার টাকা। অন্যদিকে তপসিলি জাতি উপজাতির মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢোকে ১২০০ টাকা। রাজনৈতিক মহলের ধারনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মাস্টার স্ট্রোক রাজ্যের মহিলাদের মন জয় করে ফেলেছিল। ফলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়ে কিনা সেটাই এখন দেখার। এখনওপর্য়ন্ত ২ কোটি ৪১ লাখ মহিলা লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার পান। এর জন্য গত ৫ বছরে খরচ হয়েছে ৭৪ হাজার কোটি টাকা।
কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ডিএর ফারাক অনেকটাই। ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীরা বহু দিন থেকেই এনিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। মামলা উঠছে সুপ্রিম কোর্টে। আজ সেই মামলার রায়। তার আগে রাজ্য সরকার সেই ডিএর খানিকটা দেয় কিনা তাও দেখার।
রাজ্যে একাধিক ক্ষেত্রে কাজ করেন বহু কর্মী। তাদের মধ্যে রয়েছে সিভিক ভন্যান্টিয়ার, আশাকর্মীরা। এছাড়া রয়েছে ভিআরপি, প্রাণী মিত্রের মতো কর্মী। এদের জন্য বিধানসভা ভোটের আগে বড় কোনও ঘোষণা হয় কিনা সেটাও দেখার বিষয়। তবে কেন্দ্র যেখানে রাজ্যকে হতাস করেছে সেখানে রাজ্য সরকারে একটা চেষ্টা থাকবে রাজ্য বাজাটে রাজ্যবাসীর মন জয় করার।